বিয়ানীবাজার পৌর শহরের নিজ বাড়ি থেকে দুই হাত পেছনে বাঁধা অবস্থায় যুবক সাদিকুল ইসলাম রুপকের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় কোনো কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার পর এক মাসের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় আছে মামলার তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা। ঘটনাটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা বা কোন কারণে ঘটেছে, তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। মৃত রুপক বিয়ানীবাজার পৌর এলাকার খাসাড়িপাড়া গ্রামের আবদুল মুক্তাদিরের ছেলে। জানা গেছে, গত ৩১ মে পরিবারের সদস্যরা সাদিকুলের কক্ষের ভেতরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে পেছনের দিকে দুই হাত বাঁধা অবস্থায় ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। পরে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। স্থানীয়রা জানান, রুপরা তিন ভাই ও চার বোন। দুই ভাই প্রবাসে থাকলেও তিনি রুপক পরিবার নিয়ে দেশে বসবাস করতেন। পরিবারের সদস্যরা তার আত্মহত্যার কোনো কারণ জানাতে পারেননি। তবে ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়। সেখানে কয়েক ব্যক্তির কাছে টাকা পাওয়ার হিসাব লেখা আছে বলে তৎকালীন সময়ে জানায় পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য, লাশ উদ্ধারের সময় রুপকের দুই হাত পেছনে বাঁধা ছিল। এ কারণে মৃত্যুর ঘটনাটি সন্দেহজনক বলে মনে হচ্ছে।