ঢাকার সাভারে থানা ছাত্রদলের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন সামিরের বিরুদ্ধে দুটি মামলা হয়েছে। সম্প্রতি সাভার মডেল থানায় করা দুই মামলায় সামিরসহ তার ৪১ সহযোগীকে আসামি করা হয়। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রাজাশন আমতলা এলাকার বাসিন্দা লাবণী বেগম ১২ জুন রাতে সাভার মডেল থানায় একটি লিখিত এজাহার দাখিল করেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন, তার খালাতো ভাই শামীম রেজার কাছে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন সামির। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ২৪ মে, ২৭ মে, ৮ জুন, ১২ জুন ও ১৬ জুন পাঁচ দফায় সহযোগীদের নিয়ে শামীম রেজার অটোরিকশা গ্যারেজে হামলা চালায়। কয়েক দফায় ২৩টি অটোরিকশা ও ১৪ লাখ টাকার ব্যাটারি জোরপূর্বক নিয়ে যায় তারা। শামীমের স্ত্রী আফরোজা আক্তার সাথি যুগান্তরকে বলেন, থানার এসআই মো. নেয়ামত উল্লাহও এর সঙ্গে জড়িত। পুলিশ প্রথমে মামলা নিতে গড়িমসি করে। ১২ দিন পর ২৪ জুন অটোরিকশা লুট এবং ২৬ জুন কিশোর নির্যাতনের অভিযোগে দুটি মামলা নেয় পুলিশ। অভিযোগের বিষয়ে সাভার মডেল থানার এসআই মো. নেয়ামত উল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, শামীমের গ্যারেজ থেকে বিপুল পরিমাণ মালামাল লুটপাট হয়েছে সত্য।

তবে, এর সঙ্গে আমি কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নই। আর মামলা নেওয়া না নেওয়ার বিষয়টিও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এখতিয়ার।

সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ বলেন, মামলা দুটির আসামিদের গ্রেফতারে একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। আশা করি দ্রুত তাদের আইনের আওতায় এনে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

উল্লেখ্য, কমিটি ঘোষণার ১৯ দিন পর চাঁদাবাজি, অটোরিকশা লুট, হামলা ও কিশোর নির্যাতনসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠলে সামিরকে বহিষ্কার করা হয়।