অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের ফরেস্ট বিচে ভেসে আসা বাস্কেটবলের চেয়ে দ্বিগুণ বড় ছয়টি ধাতব গোলক আসলে রকেটের বর্জ্য। স্পেস বল নামে পরিচিত এই বস্তুগুলো মূলত রকেটের উচ্চ চাপযুক্ত গ্যাস ও তরল রাখার পাত্র। কুইন্সল্যান্ডের জরুরি উদ্ধারকারী দল এগুলো নিরাপদ ঘোষণা করে সরিয়ে নিলেও ঘটনাটি মহাকাশের কক্ষপথে জমে থাকা এক নীরব সংকট সামনে নিয়ে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভবিষ্যতে মহাকাশ বর্জ্য তৈরি করতে পারে বৈশ্বিক সংকট।

মহাকাশ অভিযানের প্রসারের সঙ্গে দিন দিন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এই আবর্জনা। ইউএস স্পেস ফোর্সের মতে, ২০১৩-২০২৪ সালের মধ্যে ট্র্যাক করা মহাকাশ বর্জ্যের পরিমাণ ১০৪ শতাংশ বেড়ে ২৩ হাজার থেকে ৪৭ হাজারে পৌঁছে গেছে। এ ছাড়া কোটি কোটি ক্ষুদ্র বর্জ্য পৃথিবীর কক্ষপথে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১৮ হাজার মাইল বেগে ঘুরছে, যা বুলেটের চেয়ে প্রায় ৭ গুণ দ্রুতগামী। ১৯৬১ সালের পর থেকে কক্ষপথে এমন নিষ্ক্রিয় বস্তুর মধ্যে ৬৫০টির বেশি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

মাঝেমধ্যে এই আবর্জনা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পৃথিবীতে আছড়ে পড়ছে; যেমন ২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়ায় এবং ২০২৪ সালে ফ্লোরিডায় ঘটেছে। এতে মানুষের মৃত্যুর রেকর্ড না থাকলেও অতীতে কয়েকজন আহত হওয়ার রেকর্ড আছে। এতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি

১ ট্রিলিয়নে ১ জনের কম হলেও এই সংকট দূর করার জন্য বর্তমানে পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট এবং রোবোটিক আর্ম প্রযুক্তির মতো নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।