আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান বলেছেন, শৈলকুপা উপজেলা বিভক্তি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত বিভেদ সৃষ্টি করে নেওয়া হবে না। এ বিষয়ে যা কিছু হবে, তা হবে স্থানীয় মানুষের ঐকমত্যের ভিত্তিতে।
শনিবার (১৮ জুলাই) রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) সদস্য হিসেবে বিভিন্ন জেলার উপজেলা বিভক্তির প্রস্তাব নিয়ে কাজ করতে গিয়ে তিনি দেখেছেন, একটি উপজেলা ভাগ হলে উন্নয়ন বাজেটের বরাদ্দও বাড়ে। একটি উপজেলা দুটি ভাগ হলে উন্নয়ন বাজেট দ্বিগুণ হয়। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই শৈলকুপা নিয়ে চিন্তা করেছিলেন।
আরও পড়ুন
আইনমন্ত্রী / দলীয় নেতাকর্মীরা এমন সুবিধা পাবেন না, যাতে সরকারের বদনাম হয়
তিনি বলেন, দিনের শেষে আমি শৈলকুপার ২৮৮টি গ্রামের মানুষের প্রতিনিধি। এখানে বিভক্তির কোনো জায়গা নেই। বিভেদ থাকলে এ ধরনের কোনো কার্যসূচি আমি নেব না। উন্নয়নও চাই, শৈলকুপার ঐক্যও চাই।
বক্তব্যে নিজের আলোচিত ‘মাধবী’ লেখার পেছনের অনুপ্রেরণার কথাও তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, অনেকেই জানতে চান ‘মাধবী’ কে। তবে সেই রহস্য পুরোপুরি প্রকাশ করতে চান না।
রসিকতা করে তিনি বলেন, মাধবী নিজেই আজ মাধবী শাড়ি (তার স্ত্রী) পরে এসেছে।
ব্যক্তিজীবনের প্রসঙ্গ টেনে সক্রেটিসের একটি উক্তি উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, আমি দার্শনিক হতে চাই না। তাই একটি বিয়েই করেছি, আপাতত সেখানেই থাকছি।
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ এবং রাজনৈতিক দমন-পীড়নের সময় থেকেই ‘মাধবী’ লেখার প্রেরণা পেয়েছেন। ১৯৯০-এর গণআন্দোলনের চেতনা এবং ২০০৭ থেকে ২০২৪ সালের রাজনৈতিক বাস্তবতা তার লেখালেখিকে প্রভাবিত করেছে।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকার যানজটও তার লেখালেখিতে ভূমিকা রেখেছে। উত্তরা থেকে হাইকোর্টে যাতায়াতের পথে কিংবা আদালতে অপেক্ষার সময় তিনি ‘মাধবী’-র বিভিন্ন পর্ব লিখেছেন। এক্ষেত্রে তার স্ত্রীর উৎসাহ ও সমর্থনের কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।
টিটি/এমআরএম








