চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতার বিষয়টি সংসদে তুলে ধরলেন ওই জেলার তিনজন সংসদ-সদস্য। জামায়াতের সংসদ-সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেছেন, আমি চট্টগ্রামের মানুষ। পুরো চট্টগ্রাম আজ পানিতে ভাসছে। দলটির আরেক এমপি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম সমন্বয়হীনতার কারণে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা দূর হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন। অতিবৃষ্টির কারণে মানুষের অবস্থা অসম্ভব খারাপ বলে উল্লেখ করেছেন বিএনপির এমপি সরওয়ার জামাল নিজাম।

জবাবে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানিয়েছেন, দুর্গত এলাকার মানুষের জন্য চাল, শুকনো খাবার ও টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। অতিবর্ষণে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পাহাড়ধসে হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে।

আসরের নামাজের বিরতির আগে চট্টগ্রাম-১৩ আসনের (বিএনপি) সংসদ-সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম বলেন, গত চার দিনের বৃষ্টিতে আমার নির্বাচনি এলাকা আনোয়ারা ও কর্ণফুলী পানিতে সয়লাব হয়ে গেছে। মানুষের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ।

বিরতির পর পয়েন্ট অব অর্ডারে শাহজাহান চৌধুরী বলেন, বিশেষ করে আমার লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, পটিয়া, আনোয়ারা, কর্ণফুলী এবং আমাদের অর্থমন্ত্রীর এলাকার মানুষ পানিতে ভাসছে। মানুষের অসম্ভব কষ্ট হচ্ছে। এমন অবস্থায় নারী, শিশু, বৃদ্ধসহ অসহায় মানুষদের শুকনো খাবার দিতে হবে। যেখানে নদী ভেঙেছে, সেখানে অতিদ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের কাছে আর্জিটা তুলে ধরেছি।

জামায়াতের এমপি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, জলাবদ্ধতা দূর করতে ২০১৭ সালে চট্টগ্রাম মহানগরী নিয়ে প্রকল্প গৃহীত হয়েছিল। কিন্তু ৯ বছর পরেও এখনো জলাবদ্ধতা যাচ্ছে না। দুঃখজনক হচ্ছে, ওখানে সমন্বয়হীনতা বেশি কাজ করে। সমস্যার সমাধানে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় ও প্রকৌশল বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করার অনুরোধ করেন তিনি। জহিরুল ইসলাম বলেন, স্লুইসগেট, খাল খনন ও ড্রেনেজের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো চিহ্নিত করে সমন্বিতভাবে সব দুর্গত এলাকায় কাজ করা হলে স্থায়ী সমাধান হবে। পরে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, কয়েকদিন যাবৎ বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণে ওই এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

আমরা মঙ্গলবার প্রত্যেকটি জেলায় ২০০ মেট্রিক টন চাল ও ১০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দিয়েছি। কিছু প্যাকেটজাত শুকনো খাবার রয়েছে, ওগুলো বিতরণ করতে বলেছি। প্রতিনিয়ত জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে কথা বলছি। তারা সংসদ-সদস্যদের পরামর্শক্রমে বিতরণ করবেন।

অর্থ মন্ত্রণালয়, এডিবি, বাংলাদেশ ব্যাংক ও যমুনা ব্যাংকের যৌথ আয়োজনে উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচির উদ্বোধন

এডিবির অর্থায়নে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের ব্যবস্থাপনাধীন এসআইসিআইপি’র আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টের সার্বিক তত্ত্বাবধানে যমুনা ব্যাংক পিএলসির উদ্যোগে ব্র্যাক লারনিং সেন্টার গাছপাড়া, পাবনায় এক মাসব্যাপী (১০০ ঘণ্টা) ‘উদ্যোক্তা উন্নয়ন’ শীর্ষক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। যমুনা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নুর মোহাম্মদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের অধ্যাপক ড. আমিরুল ইসলাম উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের এসএমইএসপিডি বিভাগের যুগ্ম পরিচালক ও ডিপিডি আইয়ুব আলী, যমুনা ব্যাংকের রাজশাহী অঞ্চলের জোনাল হেড ফজলুল হক, যমুনা ব্যাংকের হেড অব এসএমই (মার্কেটিং) এনএইচএম নুসরাত। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।