বগুড়ার সারিয়াকান্দি ও ধুনটকে অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার। বুধবার যমুনার তীরে নতুন এ দুটি নদীবন্দর চালুর বিষয়ে দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়। এতে দুই নদীবন্দরের সীমানাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর আছে ৫৪টি। সবশেষ নদীবন্দর হিসাবে যুক্ত হয়েছে নোয়াখালীর হাতিয়ার নদীবন্দরটি। বগুড়ার নতুন দুই নদীবন্দর নিয়ে এখন নদীবন্দরের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৬টি।

সারিয়াকান্দি নদীবন্দরের উত্তর সীমানা সারিয়াকান্দির সদর ইউনিয়নের কালিতলা ঘাটের উত্তরে হাটশেরপুর ইউনিয়নের খুদ্দ বলাইল মৌজার দিঘাপাড়া ঘাটসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত। এটি যমুনা নদীর পূর্বপারে সারিয়াকান্দির কাজলা ইউনিয়নের বেড়া পাঁচবাড়িয়া মৌজার জামথল ঘাট পর্যস্ত বিস্তৃত। দক্ষিণ সীমানায় সারিয়াকান্দির কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের চরকুমারপাড়া মৌজায় মথুরাপাড়া ঘাট এবং যমুনা নদীর পূর্ব পারে এই ইউনিয়নের নারাপালা মৌজার মূলবাড়ি পর্যন্ত বিস্তৃত।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সারিয়াকান্দি নদীবন্দর এলাকায় গেজেটভুক্ত সীমানার মধ্যে বিদ্যমান খাল এবং ঘাটসমূহ আওতাভুক্ত থাকবে। সেই সঙ্গে নৌপথের উন্নয়ন, জেটি বা অবকাঠামো নির্মাণ ইত্যাদি যাত্রীদের সুবিধার্থে বন্দর সীমানার মধ্যে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান থাকলে তার কর্তৃত্ব বাতিল বলে গণ্য হবে।

অন্যদিকে ধুনট নদীবন্দরের উত্তর সীমানা হবে সারিয়াকান্দির কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের চরকুমারপাড়া মৌজায় মথুরাপাড়া ঘাটের (দেবডাঙ্গা) দক্ষিণ সীমানা পর্যন্ত। এটি যমুনা নদীর পূর্বপারে সারিয়াকান্দির কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের নারাপালা মৌজার মূলবাড়ি পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। এর দক্ষিণ সীমানা হবে সিরাজগঞ্জের কাজীপুরের ঢেকুরিয়া মৌজায় ঢেকুরিয়া হাটসংলগ্ন এলাকা। এটি যমুনার পূর্বপারে বগুড়ার ধুনটের ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের চৌবার মৌজার বৈশাখীর চর পর্যন্ত বিস্তৃত।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ধুনট নদীবন্দর এলাকায় গেজেটভুক্ত সীমানার মধ্যে বিদ্যমান খাল এবং ঘাটসমূহ আওতাভুক্ত থাকবে। সেই সঙ্গে নৌপথের উন্নয়ন, জেটি বা অবকাঠামো নির্মাণ ইত্যাদি যাত্রীদের সুবিধার্থে বন্দর সীমানার মধ্যে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান থাকলে তার কর্তৃত্ব বাতিল হবে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষ-বিআইডব্লিউটিএকে দুই নদীবন্দরের সংরক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।