জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত নয়, ১৯৭৩ সালের ভোট কারচুপির মধ্য দিয়েই দেশে স্বৈরাচারের বীজ বপন করে গেছেন শেখ মুজিব। সে সময়ও আওয়ামী লীগ ভোট চুরি এবং বিরোধী দলের প্রার্থীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে।
শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় রহনপুর রেলস্টেশন চত্বরে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর ইউসুফ আলী সরকারি কলেজের সামনে থেকে শুরু হওয়া জুলাই পদযাত্রা শেষে এ সমাবেশ হয়।
আরও পড়ুন
শেখ হাসিনা কেবল ফিরবে ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্য: নাহিদ ইসলাম
সারজিস আলম বলেন, ১৯৭১ সালের আগে ২৩ বছরে শেখ মুুজিবুর রহমানের গুরুত্বপর্ণ অবদান রয়েছে। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকে, বাংলাদেশে আসার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত এই মানুষটা হতে পারতেন দেশের সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রনায়ক। কিন্তু সেই মানুষটা ধীরে ধীরে স্বৈরাচারের বীজ বপন করলেন। ১৯৭২ সালের পরই ১৯৭৩ সালে প্রথম একটা ভোট চোরের নির্বাচন দিলেন। সে সময়ে যদি আওয়ামী লীগ কোনো প্রচারণা না-ও করতো তাহলেও ৩০০টার মধ্যে ২৯৫টি আসন পেত। কিন্তু তারা স্বৈরাচার হয়ে উঠলো।
তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালের পর বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে এগিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু শেখ মুজিবুর রহমান সেই সুযোগ দেননি। তার সময়ে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সংকুচিত করা হয়েছিল। সরকার নিয়ন্ত্রিত মাত্র চারটি সংবাদপত্র চালু রাখা হয়েছিল।
আরও পড়ুন
দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে থাকবে জামায়াত: শফিকুর রহমান
এনসিপির এ নেতা আরও বলেন, অতএব ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালেই দেশে প্রথম স্বৈরাচারের সূচনা হয়নি। এর বীজ বপন হয়েছিল ১৯৭২ সালেই।
জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন- এনসিপির রাজশাহী সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন, জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সদস্য মনিরুল ইসলাম, জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক রাশেদুজ্জামান রাসেল, এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এস এম সাইফ মুস্তাফিজ, জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক জাহিদ হাসানসহ অন্যরা।
SOM
সোহান মাহমুদ/কেএসআর








