একটি রুদ্ধশ্বাস ফুটবল ম্যাচ উপভোগ করল বিশ্ববাসী। সুইজারল্যান্ডের কাছে সেমিফাইনালের টিকিট ছিনিয়ে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। ১১৩ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচ ছিল ১-১ গোলে সমতায়। এরপর আলভারাজের দুর্দান্ত গোল ম্যাচের চেহারা বদলে দেয়। অতিরিক্ত যোগ করা সময়ে আর্জেন্টিনার হয়ে রংধনুরে মতো বাঁকানো তৃতীয় গোলটি করেন লাওতারো মার্তিনেজ। সর্বশেষ ৩-১ গোলে বিজয়ী হয় মেসির দল আর্জেন্টিনা।   

আর্জেন্টিনার বিজয়ের পর দেশের শোবিজ অঙ্গনের তারকারা নানারকম প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। কেউ কেউ প্রিয় দলের স্তুতি করেছেন, কেউ করেছেন সমালোচনা। চলুন জেনে নিই, সেমিফাইনালের টিকিট পাওয়ার পর কার কী অনুভূতি— 

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পূর্ণিমা লিওনেল মেসির ভক্ত। তার প্রতি মুগ্ধতা ও ভালোবাসার জন্যই আর্জেন্টিনার একজন কট্টর সমর্থক তিনি। আর্জেন্টিনার বিজয়ের পর দলটির কোচ, প্রিয় তারকা মেসি ও দর্শকদের বেশ কিছু মুহূর্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে পূর্ণিমা লেখেন, “বিশুদ্ধ আবেগ। নির্ভেজাল অনুরাগ। সেমিফাইনালিস্ট আর্জেন্টিনা!” 

মেসির বিজয় উল্লাসের একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে অভিবাদন জানিয়েছেন আলোচিত নায়ক জায়েদ খান। তিনি লেখেন, “অভিনন্দন আর্জেন্টিনা।” চিত্রনায়িকা পরীমণি লেখেন, “বিজয়ী।” পাশাপাশি আর্জেন্টিনার পতাকা ও লাভ ইমোজি দেন তিনি।  

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী বেলাল খানও আর্জেন্টিনার সমর্থক। প্রিয় দলের বিজয়ের পর এই গায়ক লেখেন, “সরি গাইস! তোমরা যারা মোনাজাত ধরে ছিলে, এবারো তোমাদের মনের আশা পূর্ণ হলো না। অভিনন্দন আর্জেন্টিনা।”   

আর্জেন্টিনার কোচ স্কালোনিকে মাঠে তেমন উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায় না। তবু তাকে পরামর্শ দিয়ে ইরফান সাজ্জাদ লেখেন, “প্রিয় স্কালোনি খুশি হওয়ার কিছু নাই! সেমিফাইনালে ইগোটাকে পাশে রেখে যোগ্য প্লেয়ারদেরকে খেলাও। আনচেলেত্তির মতো ভুল করো না। সেমির জন্য শুভ কামনা।” 

ম্যাচের ৭২ মিনিটে সুইসরা ১০ জনে পরিণত হয়। তারপরও প্রত্যাশিত খেলাটা খেলতে পারেনি আর্জেন্টিনা; বরং ব্রিল এমবোলো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়ার পর সুইসরা বুক চিতিয়ে রক্ষণ সামলেছে। রেফারির দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের সমালোচনা করে অভিনেত্রী-সঞ্চালক মারিয়া নূর লেখেন, “একজন বেশি থাকা সত্ত্বেও, সেমিফাইনালের একটি স্থানের জন্য আর্জেন্টাইনরা এখনো সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে সমান অবস্থানে রয়েছে। আর ওই দ্বিতীয় হলুদ কার্ডটি ছিল টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় তামাশা।”