শেষ ওভারে রোমাঞ্চ ছড়িয়ে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ। বুলাওয়েতে ১৪৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ ওভারে বাংলাদেশের দরকার ছিল ৫ রান। কিন্তু প্রথম তিন বলেই দুই উইকেট হারিয়ে ম্যাচে তৈরি হয় চরম উত্তেজনা।

চাপের মুহূর্তে দায়িত্ব নেন শেখ মেহেদী হাসান। শেষ ওভারের চতুর্থ বলেই দুর্দান্ত একটি চার মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। ২ বল হাতে রেখেই ৪ রানের জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।

রোববার বুলাওয়েতে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। টস জিতে আগে ব্যাটিং করা জিম্বাবুয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪৩ রান করে। জবাবে ৬ উইকেট হারিয়ে জয় পায় তাওহীদ হৃদয়ের দল। ৫৮ বলে ৪ ছক্কা ও ১ চারে ৬৬ রান করেন তানজিদ হাসান তামিম।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই সাইফ হাসানের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তিনি ৫ বলে ৪ রান করে আউট হন। এরপর পারভেজ হোসেন ইমন ও তানজিদ হাসান তামিম ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশ তোলে ৩০ রান।

দ্বিতীয় উইকেটে পারভেজ ও তানজিদের জুটিতে কিছুটা গতি এলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি পারভেজ। তিনি ২২ বলে ২৪ রান করে সিকান্দার রাজার বলে ক্যাচ তুলে দেন। এরপর হৃদয়ের সঙ্গে আরেকটি ভালো জুটিতে বাংলাদেশকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন তামিম। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন তানজিদ হাসান। ৪৫ বলে ক্যারিয়ারের ১৩তম ফিফটি পূর্ণ করেন এই বাঁহাতি ওপেনার।

তাদের জুটিতে পঞ্চাশ আসে ৩৮ বলে। সিকান্দার রাজার ওভারে ছয় ও চারে ১৫ রান এলেও সেই ওভারেই বিদায় নেন হৃদয়। বোলারকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ফেরেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। হৃদয়ের বিদায়ে ভাঙে ৪৪ বল স্থায়ী ৬৩ রানের জুটি। বাংলাদেশ অধিনায়ক ১৯ বলে একটি করে চার ও ছয়ে করেন ২৪ রান। এরপর আচমকা একাধিক উইকেট পড়লে ম্যাচ গড়ায় শেষ ওভারে। সেখানে প্রথম ৩ বলে ২ উইকেট হারালেও জয় ঠিকই পায় বাংলাদেশ।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৩ রান সংগ্রহ করে। দলের হয়ে ডিওন মেয়ার্স ৫৩ বলে ৭৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। ব্রায়ান বেনেট করেন ৩৮ বলে ৪৭ রান। বাংলাদেশের হয়ে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন দুটি উইকেট নেন। এছাড়া শেখ মেহেদী হাসান ও রিশাদ হোসেন একটি করে উইকেট শিকার করেন।

এসকেডি/এএসএম