বিশ্বকাপের রাউন্ড অব-৩২-এর ম্যাচে শুরু থেকেই ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলে দেয় ডিআর কঙ্গো। ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই গোল করে এগিয়ে যায় আফ্রিকার দলটি। ডান প্রান্ত থেকে শঁসেল এমবেম্বার নিখুঁত ক্রস পেয়ে বেনি সিপেঙ্গা বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডান পায়ের শক্তিশালী শটে জালে পাঠান। আক্রমণটি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন স্যামুয়েল মুতুসামি।
গোলের আগে ও পরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই ছিল ডিআর কঙ্গোর হাতে। প্রথম দশ মিনিটে বল দখল এবং আক্রমণ তৈরির ক্ষেত্রে তারা স্পষ্ট আধিপত্য দেখায়। দ্রুতগতির আক্রমণ, দুই প্রান্তের কার্যকর ব্যবহার এবং মাঝমাঠে চাপ সৃষ্টি করে ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগকে বেশ কয়েকবার বিপাকে ফেলে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা।
গোল হজমের পর ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা শুরু করে ইংল্যান্ড। জুড বেলিংহ্যাম, ডেকলান রাইস, মার্কাস রাশফোর্ড ও ননি মাদুয়েকের নেতৃত্বে একের পর এক আক্রমণ গড়ে তোলে তারা। ১৪তম মিনিটে মাদুয়েকের ক্রস বিপজ্জনক জায়গায় পৌঁছালেও ডিআর কঙ্গোর রক্ষণভাগ তা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়। পরের মিনিটে কর্নার থেকেও কোনো সুবিধা আদায় করতে পারেনি ইংল্যান্ড।
১৯তম মিনিটে এনতানু এমবুকুর ওপর কঠোর ট্যাকলের কারণে হলুদ কার্ড দেখেন বেলিংহ্যাম। অন্যদিকে ২৭তম মিনিটে ইংল্যান্ডের দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থামাতে ফাউল করে সতর্কবার্তা পান ডিআর কঙ্গোর নোয়া সাদিকি।
প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময় থেকে বলের দখলে আধিপত্য বিস্তার করে ইংল্যান্ড। ৩০তম মিনিটে ডেকলান রাইসের ক্রস থেকে বেলিংহ্যামের হেড গোলমুখে গেলেও ডিআর কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি-নজাউ সহজেই বলটি ধরে ফেলেন।
তবে ডিআর কঙ্গোও পাল্টা আক্রমণে সমানভাবে হুমকি সৃষ্টি করে যায়। ৩৩তম মিনিটে বেনি সিপেঙ্গার দূরপাল্লার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হলেও তাদের আক্রমণাত্মক মনোভাব স্পষ্ট ছিল। পাশাপাশি সুসংগঠিত রক্ষণ এবং দ্রুত পাল্টা আক্রমণের মাধ্যমে তারা ইংল্যান্ডকে স্বস্তিতে খেলতে দেয়নি।
প্রথম ৩৫ মিনিট শেষে বলের দখলে এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড, কিন্তু স্কোরবোর্ডে এগিয়ে ছিল ডিআর কঙ্গো। শুরুতেই বেনি সিপেঙ্গার করা গোল ইংল্যান্ডকে কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলে দেয়। সমতায় ফিরতে হলে দ্বিতীয়ার্ধে আরও কার্যকর ও ধারালো আক্রমণ গড়ে তোলার বিকল্প ছিল না থ্রি লায়ন্সদের।
The post সিপেঙ্গার গোলে এগিয়ে ডিআর কঙ্গো, চাপে ইংল্যান্ড appeared first on ZoomBangla.







