ভোলার বোরহানউদ্দিনে এক স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় পাঁচ কিশোরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় করা মামলায় তিন কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভোলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলো রাহাত (১৭), জিসান (১৬) ও ইমন (১৭)। তারা সবাই ওই এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী বোরহানউদ্দিন উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তাকে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথে উত্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল স্থানীয় কয়েকজন কিশোর। কিন্তু তাদের প্রস্তাবে রাজি হচ্ছিল না ওই শিক্ষার্থী। পরে গত ২৬ জুলাই দুপুরে বিদ্যালয় বিরতির সময় বাড়িতে খাবার খেতে যাওয়ার পথে জিহাদ নামের এক কিশোর ওই স্কুলছাত্রীকে কৌশলে পাশের একটি কলাবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে তারা ৫ জন ওই ছাত্রীর মুখ চেপে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে এবং ধর্ষণের সেই দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে। একপর্যায়ে স্কুলছাত্রীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে গেলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের পুরো ঘটনা জানায় ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী। আজ সকালে ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে অভিযুক্ত ওই পাঁচ কিশোরের বিরুদ্ধে বোরহানউদ্দিন থানায় মামলা করেন। মামলা করার পর দুপুরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিন অভিযুক্ত কিশোরকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার জানান, আজ দুপুরে তাদের গ্রেপ্তার করে বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত চলছে। অভিযুক্তরা যেহেতু অপ্রাপ্তবয়স্ক, তাই তাদের বিরুদ্ধে আদালতে প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।’








