তাইওয়ান দ্বীপের পূর্বাঞ্চলীয় জলসীমায় নিয়মিত আইন প্রয়োগকারী টহল কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে চীনের কোস্ট গার্ড (CCG)। পাশাপাশি সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করা ইস্যুতে ফিলিপাইন ও জাপানকে সতর্ক করেছে চীন।

এর আগের দিন ‘মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক’ ধারণা নিয়ে জাপানের তীব্র সমালোচনা করেন চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন । শনিবার ( ৪ জুলাই) এসব বিষয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা সিনহুয়া।

বৃহস্পতিবার জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির তথাকথিত ‘মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক’ (Free and Open Indo-Pacific) ধারণার তীব্র সমালোচনা করেছেন।

জাপানি কর্মকর্তারা সম্প্রতি ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশ সফরের সময় তথাকথিত ‘মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক’-এর নতুন সংস্করণ নিয়ে ব্যাপক কূটনৈতিক প্রচারণা চালাচ্ছেন। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে গুও বলেন, বাহ্যিকভাবে এটি উন্মুক্ততা ও স্বাধীনতার কথা বললেও, এর প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো বিভাজন ও মুখোমুখি অবস্থান সৃষ্টি করা।

এদিকে সিসিজির মুখপাত্র জিয়াং লুয়ে বলেন, শনিবার ( ৪ জুলাই) দাইশান নৌ-বহরের স্থলাভিষিক্ত হয়ে শিউশান যুদ্ধজাহাজ বহর আইন অনুযায়ী তাইওয়ান দ্বীপের পূর্বাঞ্চলীয় জলসীমায় টহল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি জানান, জুন মাস থেকে দাইশানের নেতৃত্বাধীন বহরটি ওই জলসীমায় টহল ও পরিদর্শন কার্যক্রমের পাশাপাশি মৎস্যসম্পদ সুরক্ষা এবং উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেছে।

জিয়াংয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট জলসীমায় স্বাভাবিক নৌযান চলাচল ও মাছ ধরার কার্যক্রম নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি তাইওয়ানের জেলেদেরসহ চীনা জেলেদের বৈধ অধিকার, স্বার্থ এবং জীবন ও সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে।

মুখপাত্র আরও বলেন, চীনের এখতিয়ারভুক্ত জলসীমায় কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও আইন প্রয়োগকারী টহল জোরদার করবে এবং দেশের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব ও সামুদ্রিক অধিকার-স্বার্থ রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান বজায় রাখবে।

কেএম