তালতলীতে জনসাধারণের সুবিধাকে তোয়াক্কা না করে ব্যক্তিস্বার্থে একটি দুর্যোগকালীন নিরাপদ আশ্রয়স্থল (সাইক্লোন সেল্টার কাম স্কুল) নির্মাণের চেষ্টার অভিযোগ ওঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী আশ্রাফ সরদারের বিরুদ্ধে। এছাড়া স্কুলের নামে জমির ভুয়া দলিল ও নামজারি তৈরি করে খাস জমিতে ওয়াশ ব্লক নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে তালতলী প্রেস ক্লাবের হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলার কড়ইবাড়িয়া ইউপি সদস্য মো. রেদওয়ান সরদার।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, উপজেলার কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের হেলেঞ্চাবাড়িয়া গ্রামে ‘৫১নং হেলেঞ্চাবাড়িয়া শের-ই-বাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক সাইক্লোন সেল্টার কাম-স্কুল ভবন বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু জনসাধারণের সুবিধাকে তোয়াক্কা না করে জমিদাতা আশ্রাফ সরদার ব্যক্তিস্বার্থের জন্য ভবনটি বাড়ির সীমানা ঘেঁষে স্থাপন করার পাঁয়তারা চালাচ্ছেন। সম্প্রতি জমিদাতা প্রভাব খাটিয়ে ১৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা ব্যয়ে বিদ্যালয়সংলগ্ন ওয়াশ ব্লকটি স্কুলের সীমানার বাইরে সরকারি বন্দোবস্তকৃত খাস জমির ওপর নির্মাণ করেন।

জমিদাতা তার পুত্রবধূ সুমি আক্তারকে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি বানিয়ে এসব দুর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে জমিদাতা আশ্রাফ সরদারের সঙ্গে মোবাইলে কল করলে ফোন ধরে সাংবাদিক পরিচয় দিলে হ্যালো হ্যালো করে ফোন কেটে দেন। এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল বাশার বলেন, ‘নতুন ভবন নির্মাণের জন্য সাইট সিলেকশন ও সয়েল টেস্ট সম্পন্ন হলেও জনস্বার্থে বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে।’ স্কুলের নামে অর্পণকৃত জমি বুঝে নেওয়ার জন্য দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।