বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান বলেছেন, ‍“আমরা তিন মাসের রিপোর্টিং (তালিকাভুক্ত কোম্পানির প্রান্তিক প্রতিবেদন) আর চাইব না। আমরা চাইব ৬ মাসের রিপোর্টিং। আমরা ৬ মাসের ফুল রিপোর্টিং করব। ভবিষ্যতে আমরা আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং করব।”

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর নিকুঞ্জে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ভবনে ডিএসই ব্রোকারেজ এসোসিয়েশন (ডিবিএ) আয়োজিত ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

মাসুদ খান বলেন, “আমি আমার টিমকে বলেছি, সল্যুশন মাইন্ডেড হতে। আইন আছে আইনের ভেতরে সমাধানও আছে। আজকে যত বড় বড় কোম্পানি আছে সবাই সল্যুশন মাইন্ডসেটের।”

বিএসইসির নতুন কমিশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আজকের কমিশনের ব্যতিক্রম হচ্ছে, আমরা হচ্ছি আপনারা। আমরা আপনাদের মধ্য থেকেই এসেছি। আমরা জানি আপনাদের দুঃখ কি, আপনাদের কষ্ট কি, আপমাদের সমস্যা কি। আমি হারে হারে জানি।”

মাসুদ খান বলেন, “নিয়ন্ত্রণ সংস্থার দুইটা দায়িত্ব- রেগুলেট করা এবং আরো বড় কাজ হচ্ছে ফেসিলেটেট করা। আমি আমার পেশাগত অভিজ্ঞতা থেকে যদি বলি, আমরা যারা ফাইন্যান্সে আছি সব ডিপার্টমেন্ট আমাদের কাছে আসে সমস্যা নিয়ে। আমি সবাইকে বলে থাকি, দেখেন আমার কাছে যে সমস্যা নিয়ে আসে সে শুনতে চায় না তার সমস্যা কি। সে শুনতে চায় সমাধান। তাই আমাদের সল্যুশন মাইন্ডের হতে হবে।”

অনুষ্ঠানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, “আমরা দেখছি, বর্তমান সরকার পুঁজিবাজারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। সরকার চাচ্ছে ঋণ নির্ভরতা থেকে বের হয়ে পুঁজিবাজারের উপর নির্ভরশীল হতে। বাংলাদেশের পুঁজিবাজার অর্থনীতিতে যে ভূমিকা রাখার কথা তা এবার রাখবে। পুঁজিবাজারে সুদিন আসছে।”

ডিবিএর সভাপতি সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিএসইসির কমিশনার তানভীর হাবিব রহমান, নাহিদ মাহতাব এবং মো. নাফিজ আল তারিক উপস্থিত ছিলেন।