টানা বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও সাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জনদুর্ভোগ বেড়েছে। কোথাও জলাবদ্ধতায় স্থবির নগরজীবন, কোথাও বন্যা ও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত বসতি ও সড়ক, আবার কোথাও পাহাড়ধস ও বন্যার আশঙ্কায় অনিশ্চয়তায় মানুষ। এর মধ্যেও জীবিকার তাগিদে থেমে নেই জীবন।

রাতভর ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে আবারও অবনতি হয়েছে বান্দরবানের বন্যা পরিস্থিতির। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল। এতে মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। বান্দরবান, ১১ জুলাই
রাতভর ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে বান্দরবানে সড়ক তলিয়েছে। বান্দরবান, ১১ জুলাই
টানা বৃষ্টির পানির তোড়ে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মহিপুর–কাকিনা সড়কের একাংশ ধসে গেছে। ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলছে। ইচলি, গঙ্গাচড়া, ১১ জুলাই
তিস্তার পানি দুই কূল ছাপিয়ে ঢুকেছে ফসলের খেতে। সেই পানিতে মাছ ধরছেন নানা বয়সের মানুষ। শংকরদহ, গঙ্গাচড়া, রংপুর, ১১ জুলাই
টানা বৃষ্টিতে সেতুর সংযোগ সড়কের নিচের মাটি সরে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। কুট্টাপাড়া সেতু, সরাইল–নাসিরনগর–লাখাই আঞ্চলিক মহাসড়ক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ১১ জুলাই
ভারী বৃষ্টিতে কালভার্টের একাংশ ভেঙে বিচ্ছিন্ন হয়েছে রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার কাঁকড়াছি–নাইক্যাছড়া সড়ক। এতে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। ১১ জুলাই
ভারী বৃষ্টি ও ঢলে রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া বাজার ও আশপাশের অর্ধশতাধিক বসতঘর প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতির মুখে পড়েছেন বাসিন্দারা। ১১ জুলাই
অঝোর বৃষ্টির মধ্যে জীবিকার তাগিদে মালামাল নিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন এক ব্যক্তি। গোয়ালচামট, সদর উপজেলা, ফরিদপুর, ১১ জুলাই
পাহাড়ি ঢলের পানির চাপে বারবার ভেঙে যাচ্ছে নালিতাবাড়ী–শেরপুর সড়ক। গোল্লারপাড় এলাকা, শেরপুর, ১১ জুলাই
বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে কক্সবাজারের চকরিয়া সরকারি কলেজ ভবন। চকরিয়া, ১১ জুলাই
মাতামুহুরী নদীর ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে আধা পাকা বসতঘর। কোচপাড়া, চকরিয়া পৌরসভা, কক্সবাজার, ১১ জুলাই
বৃষ্টি থামলেও চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশ অংশে এখনো পানি নামেনি। এতে দুর্ভোগে রয়েছেন যাত্রী ও পথচারীরা। ১১ জুলাই
বন্যাকবলিত মানুষের জন্য প্রস্তুত করা খাবার দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছে দিচ্ছেন পৌরসভার কর্মীরা। বনানী স মিল এলাকা, বান্দরবান, ১১ জুলাই
কক্সবাজারের টেকনাফে প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু পাহাড়ের চূড়া থেকে পড়ে আহত হয়েছে একটি মা হাতি। টেকনাফ, ১১ জুলাই