সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বাসের ধাক্কায় মিশুক যাত্রী মা-ছেলে নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে উপজেলার হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এছাড়া দুর্ঘটনায় চার স্থানে আরও ছয়জন প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকায় মোটরসাইকেল আরোহী, নাটোরে দুই যুবকসহ তিনজন, শেরপুরে বৃদ্ধ এবং নোয়াখালীতে যাত্রী রযেছেন। ব্যুরো, স্টাফ রিপোর্টার ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) : নিহত ওই মায়ের নাম নীলা বেগম। তবে তার তিন বছর বয়সি ছেলের নাম জানা যায়নি। নীলা কামারখন্দ উপজেলার নুরনগর গ্রামের বিপ্লব হোসেনের স্ত্রী। দুর্ঘটনায় মিশুকযাত্রী আরও দুজন আহত হয়েছেন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার সময় ঢাকা অভিমুখী অজ্ঞাত কোচ পেছন থেকে মিশুককে চাপা দেয়। মিশুকটি যাত্রীদের নিয়ে কামারখন্দের দিকে যাচ্ছিল।

বড়াইগ্রাম (নাটোর) : বড়াইগ্রামে ট্রাকের ধাক্কায় যুবক রান্টু মিয়া, শিপন খান ও বৃদ্ধ তৌলক্ষ্য বিশ্বাস নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার গড়মাটির গোপালপুর সরকারের ঢালান এলাকায় নাটোর-পাবনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রান্টু উপজেলার গড়মাটি গ্রামের তফেজ উদ্দিন ঝড়ুর ছেলে, তৌলক্ষ্য বিশ্বাস একই উপজেলার পার গোপালপুর গ্রামের মৃত কৃপানাথ বিশ্বাসের ছেলে এবং শিপন খান গড়মাটি খানপাড়া এলাকার চাঁদ আলী খানের ছেলে। নিহতদের মধ্যে রান্টু ইজিবাইকটির চালক ও অন্যরা যাত্রী ছিলেন। ঈশ্বরদীগামী ট্রাক রাজাপুর এলাকায় যাত্রীবাহী ইজিবাইকে ধাক্কা দিলে ওই তিনজন প্রাণ হারান।

শেরপুর : শেরপুরের নকলা উপজেলায় বাসচাপায় আব্দুল কাদির নামের এক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মচারী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে শেরপুর-ময়মনসিংহ সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বৃদ্ধ আব্দুল কাদির নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা এলাকার বাসিন্দা।

হাজারীবাগ (ঢাকা) : কেরানীগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মীর আহাম্মেদ হোসেনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে পোস্তগোলা ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। মীর আহাম্মেদের গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরে। তার বাবার নাম মীর মোখলেস হোসেন পাগলা। তিনি বর্তমানে রাজধানীর গেণ্ডারিয়া এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।

সোনাইমুড়ি (নোয়াখালী) : সোনাইমুড়িতে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে যুবক কার্তিকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনাটি ঘটে রামগঞ্জ-সোনাইমুড়ির নদনা পোল নামক স্থানে। পিকআপ যাত্রী কার্তিক রামগঞ্জ পৌরসভার নিতাই চন্দ্রের ছেলে।