জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা দেখছি-কোনো কোনো স্থানে সরকারদলীয় এমপি যে পরিমাণ বরাদ্দ পাচ্ছেন বিরোধীদলীয় এমপি সে পরিমাণ পাচ্ছেন না। এটা তো হতে পারে না। আমরা আগেও দেখেছি এমন বৈষম্য। কিন্তু এখন আর মেনে নেওয়া হবে না। সীমান্ত সম্পর্কে তিনি বলেন, দেশের এক ইঞ্চি জায়গাও আমরা ছাড়ব না। শুক্রবার সকালে নেত্রকোনা সার্কিট হাউজে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, নেত্রকোনার কথাই ধরেন, এখানে যা উন্নয়ন হওয়ার কথা ছিল তা হয়নি। সাদামাটির পাহাড় রয়েছে, সিলিকন বালি আছে। কিন্তু কোনো কলকারখানা নেই। এখানে সরকারের পাশাপাশি জেলা ও বাইরের লোকজনও শিল্প কারখানা স্থাপন করতে পারে। মাদক বিস্তার নিয়ে তিনি বলেন, সংসদে একজন সংসদ-সদস্য বলেছেন মাদক কোন এলাকা দিয়ে আসে তা তিনি জানেন। কিন্তু তিনি তা বন্ধ করছেন না। তিনি আবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও আছেন। তিনি ইচ্ছে করলেই তার এলাকা দিয়ে মাদক আসা বন্ধ করতে পারেন। সরকার মাদক নিয়ন্ত্রণে একটা বিল আনছে। আমরা চাই, নিয়ন্ত্রণ নয় মাদক পুরোপুরি নির্মূল করা হোক। শুধু যুব সমাজই মাদকে আক্রান্ত হচ্ছে না। বৃদ্ধরাও মাদকে আসক্ত হচ্ছেন।
সীমান্ত সমস্যা সম্পর্কে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারত পুশইনের চেষ্টা করছে। আমরা তা প্রতিহত করছি। বিজিবির পাশাপাশি আমরা সাধারণ মানুষ সব অপশক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়াব। দেশের এক ইঞ্চি জায়গাও ছাড়ব না, ইনশাআল্লাহ। আমরা দেখছি, যে সরকারই ক্ষমতায় আসে সে সরকারই বলে-আগের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো। কিন্তু কোথায় পরিস্থিতি ভালো তা আমরা জানি না।
জেলা জামায়াতের আমির ছাদেক আহমাদ হারিছের সভাপতিত্বে ও জেলা সহকারী সেক্রেটারি জহিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ময়মনসিংহ অঞ্চল টিম সদস্য মনজুরুল ইসলাম ভূঁইয়া, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সাহাবুদ্দিন, নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের সংসদ-সদস্য মাসুম মোস্তফা, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা মাহবুবুর রহমান, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাওলানা কামাল উদ্দিন, পৌর জামায়াতের আমির ডা. আবুল হোসেন তালুকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জেলা পাবলিক হলে আয়োজিত রুকন সম্মেলনে জামায়াত আমির যোগ দেন।








