রাজধানীর উত্তরা হাউজ বিল্ডিং, বিমানবন্দর সড়কে দিনে-দুপুরে কুপিয়ে ছিনতাই ও চুরির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চলছে। ছিনতাইকারীদের গ্রেফতারের পাশাপাশি তাদের পেছনের প্রশ্রয় দাতাদের তালিকা করেছে র্যাব। দ্রুতই তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতার অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন র্যাব-১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নেয়ামুল হালিম চৌধুরী।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ছিনতাইকারী ও মাদক কারবারিদের পেছনে কিছু লোক আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে থাকে। এমনকি গ্রেফতার হলে জামিন করানোর লোকও রয়েছে। আশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানতে চাইলে র্যাব-১ এর অধিনায়ক বলেন, আমরা বেশ কিছু তথ্য পাচ্ছি। যারা পেছন থেকে সহযোগিতা করছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করবো। কিছু নামও পেয়েছি। যেটা তদন্তের স্বার্থে গোপন রাখতে হচ্ছে। তাদেরকে অভিযানের মাধ্যমে গ্রেফতার করবো।
আরও পড়ুন
মাদকের টাকা না পেয়ে দুই শিশু সন্তানের সামনে স্ত্রীকে হত্যা
বিমানবন্দর থেকে গাজীপুরের মাঝখানের সড়কে প্রায় ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। প্রতিদিন প্রতিনিয়ত এমন ঘটছে। এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উত্তরা বিভাগের পুলিশ অভিযান চালিয়েছে। প্রথম দিনে ৮২ জন এবং পরবর্তী গতকালকে প্রায় ১০০ জনকে গ্রেফতার হয়েছে। গত সপ্তাহে প্রায় ১৭ জনকে টঙ্গী রেল স্টেশন ও মাজার বস্তিতে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছি। আমরা আরও অভিযান করবো। ছিনতাইকারী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।
তিনি আরও বলেন, কয়েকদিন আগে পুলিশের উত্তরার ডিসির সঙ্গে আমরা বসেছিলাম। এই বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১২০০ ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিসহ বিভিন্ন শ্রেণির অপরাধীদের গ্রেফতার করা হয়।
হঠাৎ করে মাদকের কারণে হত্যা বাড়ছে, এর পেছনে কারণ কি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সবকিছুর ব্যাপারে স্টাডির প্রয়োজন। কেন মাদক ছড়াচ্ছে, কেন হত্যা বাড়ছে, এটা নিয়ে স্টাডি হওয়া উচিত।
টিটি/এসএনআর







