৯০ মিনিটের খেলায় দুই অর্ধে দুটি গোল হয়েছে। দুই দলই পেয়েছে গোলের দেখা। ফলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনালের ৯০ মিনিট। ম্যাচ গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে।

রোববার (১২ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে লিওনেল মেসির কর্নার থেকে প্রথমার্ধের ১০ মিনিটে গোল করেন অ্যালেক্সিস ম্যাক-অ্যালিস্টার। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ৬৭ মিনিটে সুইজারল্যান্ডের হয়ে গোল করেন এনদোয়ে।

মেসি কর্নার থেকে দারুণ এক ক্রস ভাসিয়ে দেন বক্সের ভেতরে। সেখানে সবার ওপরে উঠে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার নিখুঁত গ্ল্যান্সিং হেডে বল পাঠিয়ে দেন কোবেলের নাগালের বাইরে। লিভারপুল মিডফিল্ডার এভাবেই ২০২৬ বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোলের দেখা পেলেন।

এই অ্যাসিস্টের মাধ্যমে বিশ্বকাপে তার মোট অ্যাসিস্ট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০টি, যা টুর্নামেন্টের ইতিহাসে যৌথভাবে সর্বোচ্চ। এর ফলে জার্মান কিংবদন্তি ফ্রিটজ ভাল্টারের ১০ অ্যাসিস্টের দীর্ঘদিনের রেকর্ডে ভাগ বসালেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

এরপর ৬৭ মিনিটে জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গোলটি করলেন এনদোয়ে। বাঁ প্রান্তে বল পেয়ে রিকার্দো রদ্রিগেজের সঙ্গে দারুণ এক-দুই পাস খেলেই বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। এরপর কঠিন কোণ থেকেও নিখুঁত সাইড-ফুট শটে বল জড়িয়ে দেন দূরের জালে। ফলে ম্যাচে ফেরে সমতা।

সমতা ফেরানোর ৫ মিনিট পর ম্যাচের ৭২ মিনিটে লাল কার্ড দেখেন সুইজারল্যান্ডের এমবোলো। ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সিমুলেশন (ডাইভ) করার অভিযোগে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে লাল কার্ডে মাঠ ছাড়তে হয় দলটির তারকা ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলোকে।

ঘটনাটি ঘটে ভিএআর-এর হস্তক্ষেপের পর। রেফারিকে ভিডিও রিপ্লে দেখে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার পরামর্শ দেওয়া হয়। রিপ্লে পর্যালোচনা করে রেফারি মনে করেন, এমবোলো ফাউল আদায়ের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে ডাইভ দিয়েছেন।

ম্যাচের বাকি সময়ে গোলের দেখা পায়নি দুই দলের কেউই। সংখ্যাগত সুবিধাকে কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ফলে ম্যাচ গড়ালো অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে।

আইএন