দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ৬৬ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের শান্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এদের মধ্যে ছয়জনকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানা যায়।
গত ২১ মে সংঘটিত শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, হল ভাঙচুর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ভঙ্গের ঘটনায় তদন্ত শেষে এসব শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলো বিশ্ববিদ্যাল প্রশাসন।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, গত ২১ মে নূর হোসেন হল ও আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি, শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হয়। এই শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির দেওয়া রিপোর্ট পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৪তম বিশেষ সিন্ডিকেট সভায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শান্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। অপরাধের ধরন অনুযায়ী চারটি ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থীদের শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
উচ্ছৃঙ্খল আচরণে জড়িত থাকার অভিযোগে আট শিক্ষার্থীকে ছয় মাসের জন্য হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি তাদের বাবা-মাকে অবগতিকরণ এবং দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
হাতে অস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করার অভিযোগে ছয় শিক্ষার্থীকে এক সেমিস্টারের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অস্ত্র হাতে শাস্তিযোগ্য আচরণের অভিযোগে ৪৮ জন শিক্ষার্থীকে দুই সেমিস্টারের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
কর্তব্য পালনরত অবস্থায় সহকারী প্রক্টর মবিনুল ইসলামের ওপর হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে ছয় শিক্ষার্থীকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. নওশের ওয়ান বলেন, তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে এ শাস্তি দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
এমদাদুল হক মিলন/এসআর/জেআইএম








