সিলেটে আনন্দভ্রমণ শেষে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে ফিরছিলেন সাইফুল ও তাঁর দুই বন্ধু। আজ শুক্রবার সকালে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগর এলাকায় পৌঁছালে যাত্রীবাহী দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে সাইফুল প্রাণ হারান। তাঁর অন্য বন্ধুও গুরুতর আহত হন।
নিহত সাইফুল ইসলাম (৫৫) কুলিয়ারচর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি। আহত অন্য দুজন হলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুকুল ইসলাম ও একই উপজেলার আব্দুল লতিফ।
জানা গেছে, গত বুধবার কুলিয়ারচর থেকে সিলেটে আনন্দভ্রমণে যান নিহত সাইফুল ও তাঁর চার বন্ধু। আজ সকালে দুই বন্ধু সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। সাইফুল, ফারুক ও লতিফ ইউনিক পরিবহনের একটি বাসে কুলিয়ারচরে ফিরছিলেন। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগর এলাকায় পৌঁছালে তাঁদের বহনকারী বাসের সঙ্গে বেঙ্গল পরিবহনের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সাইফুলসহ নয়জন যাত্রী নিহত ও অন্তত ২০ জন আহত হন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুকুল ইসলাম বলেন, ‘ভোর সাড়ে ৬টার দিকে বাসে ওঠার পর আমরা ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। হুট করে বিকট শব্দে ঘুম ভাঙে, দেখি বাস রাস্তার নিচে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর জানতে পারি, সাইফুল আর নেই।’
পারিবারিক জীবনে নিহত সাইফুলের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে কুলিয়ারচরে শোকের ছায়া নেমে আসে। সাইফুলের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে ছুটে আসেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতারা।








