বগুড়ার সোনাতলার জোড়গাছা ইউনিয়নের নিমেরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার কক্ষবিশিষ্ট ভবন চার বছর আগে পরিত্যক্ত ঘোষণা করলেও এখন পর্যন্ত তা অপসারণ করা হয়নি। এতে যে কোনো সময় ভবনটি ধসে শিক্ষার্থীদের হতাহতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অবিলম্বে ভবনটি অপসারণ করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯৯৪ সালে চার লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে এলজিইডি বিদ্যালয়টির এই ভবন নির্মাণ করে। ভবন নির্মাণের ৩২ বছরের মাথায় ছাদের পলেস্তারা ধসে পড়ছে। এমনকি বৃষ্টি হলেই ছাদ চুয়ে পানি পড়ে। চার বছর আগে এলজিইডি ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে। বর্তমানে ওই ভবনে দরজা-জানালা নেই। স্কুল ছুটির পর পুরো ক্যাম্পাস অরক্ষিত হয়ে পড়ে। এছাড়া সন্ধ্যার পর ওই পরিত্যক্ত ভবন মাদকসেবী ও জুয়াড়িদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়। স্কুল চলাকালীন কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ওই পরিত্যক্ত ভবনে খেলাধুলায় মেতে ওঠে। ফলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিদ্যালয়টিতে প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত তিন শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, ২০২২ সালে এলজিইডি ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করলেও আজ অবধি তা অপসারণ করেনি। ফলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেও কোনো ফল হয়নি। ওই সময় এলাকার এক ঠিকাদার প্রভাব খাটিয়ে নিুমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে কাজ করায় মাত্র ৩২ বছরের মাথায় ভবনটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
সোনাতলা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এনায়েতুর রশীদ বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ওই প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণে এলজিইডিকে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী রফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে ভবন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।








