ম্যাচের মূল একাদশেই ছিলেন না। অভিষেকের পর বিশ্বকাপে ২০ বছর পর আর্জেন্টিনা ও তার এমন অভিজ্ঞতা হলো। আগেই নক আউট নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় মেসিকে প্রথমার্ধে খেলাননি কোচ লিওনেল স্কালোনি। ম্যাচের বয়স এক ঘণ্টার পার হওয়ার মাঠে নামেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। আর নেমেই আরও একটি রেকর্ড নিজের নামে লিখিয়ে নিলেন এই ফুটবল জাদুকর।
চলতি বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক দিয়ে শুরু করা প্রথম দুই ম্যাচে ৫ গোল করেছেন মেসি। আজ জর্ডানের বিপক্ষেও গোলের দেখা পেলেন তিনি। বক্সের বাইরে ফ্রি কিক থেকে লক্ষ্যভেদ করেন মেসি। জর্ডানের রক্ষণভাগের সামনে ম্যাক আলিস্টার, সেনেসি ও ওটামেন্ডি কৌশলে দেওয়াল তৈরি করে কোণ সংকুচিত করলেন। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জর্ডানের দ্বিস্তরের রক্ষণদেওয়াল ফাঁকি দিয়ে নিচু শটে বল জালে পাঠালেন মেসি। গোলরক্ষক আবদুলাইলা শুধু অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলেন।
এই গোলে বিশ্বকাপে টানা ৭ ম্যাচে গোলের রেকর্ড গড়লেন তিনি।এর আগে টানা ৬ ম্যাচে গোল করে ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইন (১৯৫৮) ও ব্রাজিলের জেয়াজিনহোর (১৯৭০) সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন মেসি। জর্ডানের বিপক্ষে গোল করে তাদের ছাড়িয়ে গেলেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক।
এর আগে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে আসর শুরু করেন মেসি। যেটা কিনা বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে তার প্রথম হ্যাটট্রিক। পরের ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে করেন আরও ২ গোল। প্রথম দুই ম্যাচে আর্জেন্টিনার করা ৫ গোলের সবকটিই আসে তার পা থেকে। জর্ডানের বিপক্ষে ছিলেন বিশ্রামে, প্রথমার্ধে সেলসো ও লাউতারো মার্টিনেজ একটি করে গোল করেন। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ফিরেই স্কোরশিটে নাম লেখান মেসি।
চলতি বিশ্বকাপের শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন মেসি। গোল, অ্যাসিস্ট ও অনবদ্য নেতৃত্বে প্রতিটি ম্যাচেই রাখছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান, যা আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে নিচ্ছে কাঙ্ক্ষিত শিরোপার দিকে। গ্রুপ পর্বের ৩ ম্যাচ শেষে মেসির নামের পাশে ৬ গোল, আসরের সর্বোচ্চ। ৪ গোল নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে।
এসকেডি/জেআইএম








