বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আজ বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২টায় মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামবে ফ্রান্স। সে ম্যাচে আর্জেন্টাইন রেফারি নিয়োগ দিয়েছে ফিফা। যেটা নিয়ে ভাবছেন না ফরাসিদের প্রধান কোচ দিদিয়ের দেশম। বরং ম্যাচ পরিচালকদের ওপর আস্থা রাখছেন তিনি।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালের পর থেকেই ফ্রান্স-আর্জেন্টিনা ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন মাত্রা পেয়েছে। এবার কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন আর্জেন্টিনার রেফারি ফাকুন্দো তেয়ো। তাঁর সঙ্গে থাকছেন দুইজন আর্জেন্টাইন সহকারী রেফারি, একজন রিজার্ভ সহকারী এবং চতুর্থ কর্মকর্তা।
রেফারিদের নিয়ে না ভেবে প্রতিপক্ষ নিয়ে ভাবতে চান দেশম। ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমাদের এটা মেনেই নিতে হবে। রেফারিদের ওপর আমার আস্থা আছে। আমাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো, রেফারি নন।’
এবারের বিশ্বকাপে রেফারিংয়ের মান নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচে ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে বেশ। সেই প্রসঙ্গ টেনে দেশম বলেন, ‘আশা করি আমাদের ম্যাচের (আর্জেন্টাইন রেফারি) কর্মকর্তারাও লেতেক্সিয়েরের মতোই ভালো পারফরম্যান্স করবেন।’
ফ্রান্সের বদলি গোলরক্ষক রবিন রিসারও একই সুরে কথা বলেছেন। তাঁর মতে, কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালের পর দুই দেশের মধ্যে কিছুটা তিক্ততা থাকলেও সেটি ফুটবলেরই অংশ। রিসার বলেন, ‘শেষ বিশ্বকাপের ফাইনালের পর থেকে কয়েক বছর ধরে ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনার মধ্যে কিছুটা তিক্ততা রয়েছে। তবে এটা খেলাধুলারই অংশ। এই রেফারিরা এখানে দায়িত্ব পেয়েছেন, কারণ তারা এই প্রতিযোগিতার মানের উপযুক্ত।’
অন্যদিকে মরক্কোর কোচ মোহাম্মদ ওহাবিও রেফারিং নিয়ে কোনো বিতর্কে যেতে চাননি। তাঁর মতে, অভিজ্ঞ কর্মকর্তারাই এমন বড় ম্যাচ পরিচালনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। ওহাবি বলেন, ‘আগামীকালের ম্যাচের রেফারিকে নিয়ে বলতে গেলে, তিনি অত্যন্ত অভিজ্ঞ একজন কর্মকর্তা। আমরা এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অভিজ্ঞ রেফারিই চাই। তাই এ নিয়ে আমরা পুরোপুরি নির্ভার।’
নেদারল্যান্ডস ম্যাচের প্রসঙ্গ টেনে ওহাবি বলেন, ‘নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে আমাদের ম্যাচেও একজন ডাচ রেফারি ছিলেন এবং তিনি দারুণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তাই আমরা এ বিষয়টি নিয়ে খুব একটা আলোচনা করি না। কারণ আমরা জানি, রেফারিরা সবসময় তাদের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেন। ফ্রান্সের বিপক্ষে যিনি থাকবেন, তিনি খুব সহজে হলুদ কার্ড দেখান না। সেটি ম্যাচে কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে। তবে রেফারিদের মান নিয়ে আমার কোনো প্রশ্ন নেই।’








