বাবুগঞ্জে অবৈধ করাতকলই বেশি। যত্রতত্র বসানো হয়েছে এসব করাত কল। এসব করাতকলে বনের গাছপালা চেরাই চলে সমানতালে। বিশেষ করে ইটভাটা করাতকল রয়েছে ৩৭টি। এগুলোর একটিতেও বৈধ কাগজপত্র নেই। ফলে এ অঞ্চলের বন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। বন বিভাগ এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের উদাসীনতায় কাগজপত্র বিহীন করাতকলের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। বন বিভাগের দেওয়া তথ্য মতে, বাবুগঞ্জ উপজেলায় মোট ৬০টি করাত কল রয়েছে, যার মধ্যে ৩৭টিই অবৈধ। তারপরও বন বিভাগের নাকের ডগায় এসব করাতকল চলছে। স্থানীয়রা জানান, অবৈধ করাতকলগুলোর মধ্যে উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের দোয়ারিকা, ক্ষুদ্রকাটি, খানপুরা গ্রামে ২৫টি ইটভাটায় ২৫টি করাতকল রয়েছে, যার একটিরও বৈধ কাগজপত্র নেই। চাঁদপাশা ইউনিয়নের চারটি দেহেরগতি ইউনিয়নে, চারটি আগরপুর ইউনিয়নে, দুটি কেদারপুর ইউনিয়নে। দুটি ইটভাটায় করাতকল থাকলেও একটিরও বৈধ কাগজপত্র নেই। বন বিভাগ কর্মকর্তা মাসুদ খান বলেন, কীভাবে কাগজপত্র বিহীন করাতকল চালু রয়েছে বিষয়টি তিনি খতিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।








