বগুড়ায় জামিনে ছাড়া পেলেন, ‘গরিবের ডাক্তার’ খ্যাত ডা. সামির হোসেন মিশু। সোমবার ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ কৌসিক আহমেদ তার জামিন মঞ্জুর করেন। রোববার তার জামিন শুনানি হয়।

জানা যায়, ডা. মিশু বগুড়া সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ছিলেন। বর্তমানে তিনি বাগেরহাটে ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজিতে ইন্সট্রাক্টর হিসেবে কর্মরত। ২০২৪ সালে তাকে বগুড়া থেকে বদলি করা হয়। ২৩ জুন শেরপুর উপজেলার প্রতিপক্ষ চিকিৎসকদের ইন্ধনে স্থানীয় যুবদল নেতারা মিশুকে গ্রেফতার করতে পুলিশকে খবর দেয়। এরপর এক অনুষ্ঠান থেকে পুলিশ মিশুকে আটক করে। পরদিন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান শুনানি শেষে মিশুকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

উল্লেখ্য, মো. আরাফ নামে বগুড়ার এক ব্যক্তি ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর সদর থানায় একটি মামলা করেন। এতে ১৭২ জনের নাম উল্লেখ করে ৪৭২ জনকে আসামি করা হয়। আটকের পর পুলিশ মিশুকে এ মামলার আসামি হিসাবে গ্রেফতার দেখায়।

বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট বগুড়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে গুলি করে হত্যা চেষ্টা করা হয়। তিনি আহত হয়ে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে মিশু তাকে চিকিৎসা নিতে বাধা দেন। রোববার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মিশুর জামিন শুনানি কালে তার আইনজীবী আদালতকে জানান, মিশু কোনদিন বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করেননি। কাজেই বাদীকে চিকিৎসা নিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়। ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ সোমবার মিশুর জামিন মঞ্জুর করলে তিনি বগুড়া জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান।