বহিরাগত হুমকি ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজেদের প্রচেষ্টা সমন্বয় করছে রাশিয়া ও বেলারুশ। দেশ দুটি সব ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ সহযোগিতা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বেলারুশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে দেশটির প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কোকে পাঠানো শুভেচ্ছা বার্তায় এমনটাই উল্লেখ করেছেন পুতিন।

ক্রেমলিনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বার্তায় পুতিন বলেন, মস্কো ও মিনস্ক সব ক্ষেত্রেই ফলপ্রসূভাবে একসঙ্গে কাজ করছে এবং বহিরাগত হুমকি ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাদের প্রচেষ্টা সমন্বয় করছে।

পুতিন আরও বলেন, বেলারুশের স্বাধীনতা দিবস রাশিয়ানদের জন্যও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ কারণ এটি উভয় দেশের যৌথ ইতিহাসের এক গৌরবময় ঘটনার সঙ্গে জড়িত। এটি নাৎসি বাহিনীর দখল থেকে মিনস্ক মুক্ত হওয়ার দিন।

রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কঠিন সময়ে গড়ে ওঠা ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধন আজও রাশিয়া ও বেলারুশের মিত্রতাপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার দৃঢ় ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

এর আগে গত ২৫ জুন বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো বলেন, যেকোনো পরিস্থিতিতেই রাশিয়ার পাশে থাকবে বেলারুশ এবং দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত ঐক্য অটুট থাকবে। মস্কো অঞ্চলের গভর্নর আন্দ্রেই ভোরোবিয়েভ এর সঙ্গে এক বৈঠকে লুকাশেঙ্কো বলেন, যে পরিস্থিতিই আসুক না কেন আমরা রাশিয়ার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে থাকব।

২০২২ সাল থেকে ইউক্রেনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে আছে রাশিয়া। এতে দুই দেশেরই বহু সেনা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তবে, সম্প্রতি পুতিন জানিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ বন্ধে ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত রয়েছে রাশিয়া। অ্যাংকোরেজ ও ইস্তাম্বুল চুক্তি এবং বর্তমান বাস্তবতার ভিত্তিতে এই আলোচনা হতে হবে।

গত বছর ইস্তাম্বুলে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে পুনরায় শুরু হওয়া শান্তি আলোচনার তিনটি দফা অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৫ সালের ১৬ মে, ২ জুন এবং ২৩ জুলাই অনুষ্ঠিত এসব বৈঠকে বড় আকারের বন্দি বিনিময় এবং সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির জন্য উভয় পক্ষের অবস্থান তুলে ধরে খসড়া স্মারক তৈরি হয়।

সূত্র: তাস

কেএম