নড়াইলে বৈষম্যিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া নেতাদেরকে মারধর করতে পারলে পুরস্কার ঘোষণা করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম এ অভিযোগ করেছেন। নড়াইল সদর থানায় ১১ জনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগে করা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করে নড়াইল সদর থানার ওসি অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা হলেন, বঙ্গবন্ধু জাতীয় পরিষদ, নড়াইলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মিজানুর রহমান নয়ন, সহ-সভাপতি সৌরভ কর্মকার, লোহাগড়া উপজেলার কুন্দসী গ্রামের সজিবুল ইসলাম হৃদয়, একই এলাকার শাহাদাত হোসেন রায়হান, লোহাগড়ার চাচই গ্রামের আরব শিকদারের ছেলে ইমন শিকদার, লোহাগড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চাচই গ্রামের সাইফুল জমাদ্দারের ছেলে মো. মিলন জমাদ্দার, মল্লিকপুর গ্রামের মো. ইস্রাফিল, কাশিপুর ইউনিয়নের কামেশ্বরপুর গ্রামের মো. সজীব চৌধুরী, লোহাগড়ার কালনা গ্রামের এসকে আসলাম, নড়াইল পৌরসভার নড়াইল গ্রামের মহসীন বিশ্বাসের ছেলে মো. আবদুল্লাহ আল জাবের লোটাস ও সদর উপজেলার চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের সিবানন্দপুর গ্রামের আজগর শেখের ছেলে মো. জুবায়ের শেখ। এ ব্যাপারে অভিযুক্তদের মাঝে আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, অভিযোগকারীকে আমি চিনি না। আমার সঙ্গে যাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে তাদেরকেও চিনি না। আমার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক। আমিরুল অভিযোগ করেন, আমাকেসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকে মারতে পারলে যথাক্রমে ৫০ হাজার, ১ লাখ, ২ লাখ ও ৫ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। এর প্রতিকার চাই, নইলে আমরা প্রস্তুত আছি পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য।








