বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাজিবুল হক আবিদের বিরুদ্ধে এক শিক্ষককে হেনস্তা ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কমিটির সমন্বয়ক, ফিশারিজ বায়োলজি ও জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অধ্যাপক সামছুল আলম অভিযোগে বলেন, ফার্মাকোলজি বিভাগের স্নাতকোত্তর এক শিক্ষার্থী ভর্তিজনিত কিছু ত্রুটি নিয়ে আমার চেম্বারে আসেন। তার সঙ্গে নাজিবুল হক আবিদও ছিলেন। সমস্যা নিয়ে কথা বলার সময় নাজিবুল হক আমার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। গালাগাল, হেনস্তা থেকে শুরু করে আমাকে হুমকিও দেন।

নাজিবুল হক আবিদ বলেন, ওই শিক্ষার্থী স্নাতকোত্তর ১ম ও ২য় সেমিস্টার পরীক্ষার ফলাফলে সিজিপিএ-৪ পেয়েছেন। সর্বশেষ থিসিস সেমিস্টারে গিয়ে কিছুদিন আগে তাকে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কমিটি থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে যে তার ছাত্রত্ব বাতিল করা হয়েছে। তাকে আগাম কোনো সতর্কবার্তা বা নোটিশ পাঠানো হয়নি। তার সঙ্গে গুরুতর অন্যায় করা হয়েছে বলে আমি মনে করছি এবং এ নিয়ে আমি স্যারের সঙ্গে ন্যায়সঙ্গত কথা বলেছি। হুমকি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ন্যায়ের পক্ষে আমি জোরালোভাবে কথা বলেছি এবং ন্যায়সঙ্গত কথা এভাবেই বলা উচিত। জোরালোভাবে কথা বলাকে তিনি হুমকি মনে করছেন।

বাকৃবি শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম বলেন, নাজিবুল হক আবিদের ছাত্রজীবন শেষ। তবে একজন শিক্ষকের সঙ্গে যে আচরণ করেছেন সেটি অবশ্যই ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অন্যায় করেছেন। আমরা সাংগঠনিকভাবে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।

বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. একে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, আমি সেই ছাত্রকে হল থেকে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।