জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ বলেছেন, এবারের বন্যাটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। কোনো মানুষের পক্ষে এটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। অতিবৃষ্টির ফলে উজান থেকে নেমে আসা পানির চাপে দুর্বল বাঁধ ভেঙে এ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। এতে কয়েক হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মানুষকে নিরাপদে সরানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। নদীর তীর ভেঙে প্রচুর পানি প্রবেশ করা সত্ত্বেও কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।
শুক্রবার বিকালে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নে খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে সৃষ্ট বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে হুইপ এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন। পরে হুইপ বন্যার্তদের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করেন।
জি কে গউছ বলেন, খোয়াই নদীতে কোনো ধরনের বালু ইজারার ব্যবস্থা নেই। সরকারের এখান থেকে ইজারা দিয়ে দুই পয়সা কামানোরও কোনো আগ্রহ নেই। অবৈধভাবে যারা এ সুবিধা নিয়েছে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো দুষ্কৃতকারী, বালুখেকো, সুবিধাভোগী আমাদের বন্ধু হতে পারে না। যারাই অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে যেন তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। নদীর যেখানেই বালু উত্তোলনের ড্রেজার থাকবে সেগুলো যেন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
খাগড়াছড়িতে বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ : খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি জানান, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত খাগড়াছড়ির বন্যাকবলিত আড়াই হাজার পরিবারের মধ্যে জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে পার্বত্য জেলা পরিষদ।
শুক্রবার দুপুরে দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ও কবাখালী ইউনিয়নসহ বন্যাদুর্গত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ইলিয়াস মেহেদী, জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাহফুজসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।








