কোনো কোনো জায়গার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ব্যক্তিগত গল্প, যেখানে প্রথম যাওয়ার দিনটা মনে থাকে আজীবন। বারবার সেখানে ফিরে যেতে চায় মন। প্রথম আলোর শনিবারের ক্রোড়পত্র ‘ছুটির দিনে’র নিয়মিত বিভাগ ‘ফিরে ফিরে যাই’-তে প্রিয় ভ্রমণস্থানের গল্প বলেন নানা ক্ষেত্রের বিখ্যাত ব্যক্তিরা। আজ বলেছেন অভিনয়শিল্পী নাজিফা তুষি
প্রিয় বেড়ানোর জায়গা?
ঘুরতে আমার খুবই ভালো লাগে। দেশ–বিদেশে অনেক জায়গাতেই বেড়াতে যাই। তবে বান্দরবানের লামার স্মৃতি ভুলতে পারি না। এটি আমার খুবই প্রিয় জায়গা।
কেন?
আমার জন্ম চট্টগ্রামে। চট্টগ্রামে অনেক পছন্দের জায়গা আছে। তবে লামার সঙ্গে ছোটবেলার স্মৃতি জড়িয়ে আছে। মেডিটেশন কোর্সের অংশ হিসেবে সেখানে গিয়েছিলাম। সেখানে যাওয়াটা এখনো আমার কাছে অ্যাডভেঞ্চারাস মনে হয়।

প্রথম কবে গিয়েছিলেন?
ক্লাস সেভেন কি এইটে পড়ার সময়। তখন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের মেডিটেশনের কোর্স করেছি। এই কোর্সের গিয়েই প্রথম লামা সম্পর্কে জানতে পারি। লামায় ‘মনো সাধনা’ নামে একটি মেডিটেশন কোর্স হতো। চার দিনের। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত এই অ্যাকটিভিটি চলত। সময়মতো খাওয়াদাওয়া হতো; কিন্তু এ সময়টায় কারও সঙ্গে কথা বলা যেত না। এর মধ্য দিয়ে মনের একটি যত্ন নেওয়া হতো। সেই সময় কোর্সের জন্যই প্রথম গিয়েছিলাম।
জায়গাটা ঘিরে স্মরণীয় স্মৃতি?
পাহাড়ের এক প্রান্তে একটি ঘর। প্রকৃতির মধ্যে বসে সময় কেটেছিল। এটা আমার মধ্যে অদ্ভুত ভাইব্রেশনের মতো কাজ করেছিল। এ ছাড়া ঝরনাও খুবই কাছাকাছি ছিল। জলপতনের শব্দ আমার কাছে স্পিরিচুয়াল মনে হয়েছিল। যে কারণে এখনো জায়গাটা আমার ভীষণ পছন্দ।
১৬ ছবিতে সুনিধি নায়েকের বহুমাত্রিক শিল্পী হয়ে ওঠার যাত্রা
কতবার সেখানে গিয়েছেন?
লামায় দুইবার গিয়েছি। দ্বিতীয়বার গিয়েছিলাম কলেজে পড়ার সময়। সেই সময়ও লামায় যাওয়ার পথ সহজ ছিল না। অনেক সময় যাওয়ার অনুমতিও মিলত না।
আবার যাবেন?
অনেক দিন যাওয়া হয়নি। তবে এখনো আমার জায়গাটার প্রতি ভালোবাসা রয়েছে। কেউ লামায় গেলে জায়গাটা নিয়ে জিজ্ঞেস করি। এখন নাকি আরও লোকালয় হয়েছে। মিরিঞ্জা ভ্যালিতে অনেক রিসোর্ট হয়েছে। যেকোনো সময়ই যাওয়া যায়। পাহাড়িপ্রকৃতি আর ঝরনা দেখতে দ্রুতই লামায় যেতে চাই।
সাক্ষাৎকার: সামীর আলম
আর্লিং হলান্ড বিয়ে করেছেন? জীবনসঙ্গী কে?







