বন্দরে চাকরি দেওয়ার নাম করে দুই কিশোরকে মোবাইল ফোনে ডেকে এনে মারধর ও টাকা-মোবাইল লুটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের ৫ সদস্যকে আটক করে গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। বুধবার রাতে বন্দরের ফরাজিকান্দার তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর টোলপ্লাজার সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে বন্দর থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে-বন্দর উপজেলার ইস্পাহানি এলাকার ভাড়াটিয়া আনোয়ারুল মিয়ার ছেলে মোহিত, একই বাড়ির ভাড়াটিয়া আব্বাস মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ তামিম, মিলন মিয়ার ছেলে সৌরভ, ইস্পাহানি এলাকার মিজান মিয়ার ছেলে মেহেদী হাসান ও বাপ্পি মিয়ার ছেলে সাব্বির। বৃহস্পতিবার গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। মামলার বাদী হাফিজুর রহমান জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে নাটোর জেলার সিংড়া থানার কামার বড়িয়া গ্রামের ইমরানের ছেলে লিমনের (১৪) সঙ্গে তামিমের পরিচয় হয়। লিমন সম্পর্কে তার এলাকার ছোট ভাই। পরিচয়ের সূত্র ধরে তামিম চাকরি দেওয়ার কথা বলে লিমন ও তাকে বুধবার সন্ধ্যার দিকে বন্দর খেয়াঘাটে ডেকে আনে। পরবর্তীতে তামিমসহ ৫ কিশোর একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে তাদের বন্দরে ফরাজীকান্দার তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর সামনে নিয়ে যায়। সেখানে নির্জন স্থানে নিয়ে লিমন ও তাকে মারধর করে তাদের সঙ্গে থাকা মোবাইল সেট ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ সময় তাদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে ধাওয়া দিয়ে ওই ৫ কিশোরকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। ৫ কিশোরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।