বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ওষুধশিল্প, তৈরি পোশাক, পাট ও পাটজাত পণ্য, সামুদ্রিক খাত, জাহাজ নির্মাণ শিল্প এবং জনশক্তি খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ও মরক্কো।
একই সঙ্গে ক্রীড়া, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা জোরদার এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত মরক্কোর রাষ্ট্রদূত লাল্লা বুতাইনা এল কেরদৌদি এল কৌলালির সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং ক্রমবর্ধমান দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করা হয়। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে নবনিযুক্ত মরক্কোর রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাতে মরক্কোর রাষ্ট্রদূত বলেন, আফ্রিকা ও ইউরোপের বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে মরক্কো একটি কৌশলগত কেন্দ্র (স্ট্র্যাটেজিক হাব)। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ও মরক্কোর মধ্যে তৈরি পোশাক, ওষুধশিল্প এবং সামুদ্রিক খাতে যৌথ বিনিয়োগ ও যৌথ উদ্যোগ (জয়েন্ট ভেঞ্চার) গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনশক্তি নিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে মরক্কো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ (পিপল-টু-পিপল কনট্যাক্ট) বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া বিনিময় কর্মসূচি সম্প্রসারণ, পারস্পরিক ভিসা অব্যাহতি চুক্তি (মিউচুয়াল ভিসা ওয়েভার অ্যাগ্রিমেন্ট) এবং নিয়মিত দ্বিপক্ষীয় সংলাপ ও উচ্চপর্যায়ের সফর বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
বৈঠকে উভয়পক্ষ বাংলাদেশ ও মরক্কোর মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এমইউ/বিএ








