পর্যটন ভিসা চালুর পর বাংলাদেশ ও ভারতের যাত্রী আনাগোনা বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তবে এখনই দুই দেশের মধ্যে স্থগিত হয়ে থাকা তিনটি যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা চালু করার কোন সুখবর দিতে পারেনি ভারতীয় রেল। 

বুধবার ভারতীয় পূর্ব রেলের বিভাগীয় রেল ব্যবস্থাপক রাজিব সাক্সেনা বলেছেন, “কথাবার্তা চলছে, রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বিষয়। এখন যখন মনে হবে পরিস্থিতি ঠিকঠাক হচ্ছে,  আমাদের কাছে যখনই নির্দেশ আসবে আমরা তখনই চালু করে দেব।”

পূর্ব রেলের একাধিক কর্মযজ্ঞ নিয়ে  সংবাদ সম্মেলনের সময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেছেন।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশে উত্তাল আন্দোলনের সময় দুই দেশের মধ্যে যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা বন্ধের ঘোষণা আসে। যখন এই ঘোষণা আসে তখন বাংলাদেশেই আটকা পড়ে মিতালী এক্সপ্রেস। দীর্ঘ সময় বাংলাদেশের মাটিতে অচল অবস্থায় পড়ে থেকে ভারতের মিতালী এক্সপ্রেসের কোচগুলো একেবারেই যাত্রী পরিষেবা দেওয়ার অনুপোযোগী হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কার্যত পরিত্যক্ত অবস্থায় কোচগুলো ফিরিয়ে আনে ভারত। মৈত্রী ও বন্ধন ট্রেনগুলোও দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ। এমন অবস্থায় ট্রেন পরিষেবা চালুর করার রাজনৈতিক নির্দেশ আচমকা চলে এলে পরিষেবা পুনঃস্থাপিত করতে রেল কতটা প্রস্তুত সেই প্রশ্ন উঠেছে।

এমন প্রশ্নের জবাবে রাজিব সাক্সেনা বলেন, “আমাদের কাছে অনেক কোচের স্টক আছে, আমরা যেরকম স্পেশাল ট্রেন চালাই বেশ কয়েকটা কোচকে একসাথে করে। সেই রকমভাবেই ট্রেন তৈরি হয়ে যাবে। নতুন একটা ট্রেন তৈরি করা সমস্যার নয়। তবে আমাদের কাছে এখনো কোনো নির্দেশ নেই। আবারো বলছি এটা রাজনৈতিক বিষয়। ভারত সরকার ও বাংলাদেশ সরকার যখন সিদ্ধান্ত নেবে এখন চালানোর দরকার আছে। আমরা চালিয়ে দেব। আমাদের তরফ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া আছে।”