শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, চলমান মৌসুমি বৃষ্টি ও বন্যার কারণে কোনো এইচএসসি পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে তাঁদের জন্য পুনঃপরীক্ষার আয়োজন করতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে। তিনি আজ মঙ্গলবার সংসদে পটুয়াখালী-২ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সংসদ সদস্য মো. শফিকুল ইসলামের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বলেন, বর্ষা মৌসুমে দেশের সব পরীক্ষাকেন্দ্র শিক্ষা মন্ত্রণালয় সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রেখেছে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে পরীক্ষা, পদার্থবিজ্ঞানের ৬ ও ৭ প্রশ্নের পুরো নম্বর দেওয়া হবে: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোনো পরীক্ষাকেন্দ্রে বন্যার পানি প্রবেশ করলেই পরীক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দিতে পারেন, সে জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্র অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত শুধু কুমিল্লা সরকারি কলেজেই উল্লেখযোগ্য সমস্যা দেখা দিয়েছে। কলেজ প্রাঙ্গণ প্লাবিত হওয়ায় সেখানে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে, তবে কয়েকটি কেন্দ্রে পানি প্রবেশ করলেও কর্তৃপক্ষ দ্রুত কেন্দ্র স্থানান্তর করে পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে। সরকার পরীক্ষা নিয়ে অত্যন্ত আন্তরিক এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কোনো শিক্ষার্থী যাতে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে জানুয়ারিতে এসএসসি এবং জুনে এইচএসসি পরীক্ষা হবে: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি প্রবেশের পর প্রশাসনিক ত্রুটির কারণে যদি কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারে, তাহলে সরকার বিষয়টি পর্যালোচনা করবে এবং প্রয়োজন হলে পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করবে। মন্ত্রী বলেন, ‘চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন আমরা ইতিমধ্যে এমন ব্যবস্থা নিয়েছি এবং প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতেও সেই সুযোগ থাকবে।’ তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দুর্যোগের মধ্যেও সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা আয়োজন নিয়ে সরকার শিক্ষার্থীদের চেয়েও বেশি উদ্বিগ্ন। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, কোনো ভুল বা ঘাটতির কারণে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে না পারলে পুনঃপরীক্ষা আয়োজনের বিধান রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রী বলেন, ‘এই শিক্ষার্থীরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। কোনো অবস্থাতেই আমরা তাঁদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারি না এবং করবও না।’

প্রাথমিকে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীরা কত টাকা, কত দিন পাবে