বরকল ও আলমডাঙ্গায় পাচারকালে ৮৩ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। রোববার এসব সার উদ্ধার করা হয়। বরকলের সীমান্তবর্তী ছোটহরিণা এলাকায় ভারতে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ সার জব্দ করেছেন বিজিবি। ভারতে পাচারের উদ্দেশে এসব সার একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এতে সন্দেহ হলে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে নৌকাটি আটক করে ৩ হাজার ৫৫০ কেজি সার জব্দ করা হয়। জানা যায়, ভারত সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়মিত টহল চলাকালে বিজিবির সদস্যরা নৌকাটি আটকে তল্লাশি চালান। এসময় নৌকা থেকে ৩৬ বস্তা ইউরিয়া, ৮ বস্তা টিএসপি এবং ২৭ বস্তা জৈব সার উদ্ধার করা হয়। অভিযানের টের পেয়ে তার আগেই কৌশলে পালিয়ে যাওয়ায় পাচারকারী চক্রের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এদিকে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার আইলহাস ইউনিয়নে সরকারি বরাদ্দের সার অবৈধভাবে বিক্রির অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিসিআইসি সার ডিলার ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা মাসুদুজ্জামান লিটু বিশ্বাসের ডিলার পয়েন্ট থেকে নাগদাহ ইউনিয়নের জাহাপুর এলাকার ব্যবসায়ী মিঠুর কাছে বিভিন্ন ধরনের মোট ৬২ বস্তা সার অবৈধভাবে বিক্রি করা হয়েছে। শনিবার আইলহাস ইউনিয়নের পাইকপাড়া-জাহাপুর সড়কে স্থানীয় জনতা একটি পাখিভ্যান আটক করে। এসময় ভ্যানে থাকা ১২ বস্তা বাংলা ডিএপি সার উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, উদ্ধার হওয়া সার সাধারণ কৃষকদের জন্য বরাদ্দ ছিল। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, শনিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত প্রায় ৬২ বস্তা ইউরিয়া ও ডিএপি সার পাচার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ জনতা আইলহাস ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সিহাব উদ্দিনকে আটকে রাখেন। আটক পাখিভ্যানের চালক আকাশ জানান, তিনি ১২ বস্তা সার নাগদাহ ইউনিয়নের জাহাপুর এলাকার ব্যবসায়ী মিঠুর কাছে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথে স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে। খবর পেয়ে সন্ধ্যায় আলমডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার উদয় রহমানসহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করেন।