ভৈরব নদে নিখোঁজ হওয়া সেই গৃহবধূ ফাতেমা আক্তার বর্ণার (২৮) মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। নিখোঁজের ৩০ ঘণ্টার পর শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে যশোরের নওয়াপাড়া নদের ‘ভৈরব ব্রিজ’ এলাকায় ভাসমান অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে নওয়াপাড়ার সরদার মিলসংলগ্ন মালোপাড়া মহিলা ঘাটে গোসলে নেমে নিখোঁজ হন তিনি।

ফাতেমা আক্তার বর্ণা অভয়নগর উপজেলার মশরহাটি গ্রামের হাবিবুর রহমানের মেয়ে এবং ঢাকার মিরপুরের রবিউল আলম খানের স্ত্রী।

নওয়াপাড়া নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রনজিত কুমার জানান, শনিবার সন্ধ্যায় নওয়াপাড়া ভৈরব নদীর ব্রিজের ওপারে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করলে স্থানীয়দের সহযোগিতায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় উদ্ধারের পরে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ওসি বলেন, গত দুই দিন ধরে নিখোঁজের পর স্থানীয় নৌ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরিরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেন। এমনকি স্থানীয় জেলেরাও নদীতে জাল ফেলে তল্লাশি করে না পেয়েও দ্বিতীয় দিনের মতো তল্লাশি শেষ করে। এর মধ্যে সন্ধ্যায় বর্ণার মৃতদেহটি খোঁজ মিলেছে।

এ দিকে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসে বর্ণার এমন করুণ মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারে চলছে মাতম।