ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে পালিত হয়েছে ‘জুলাই জাগরণ ও স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস’। শনিবার (১৮ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মাঠে দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই দিবস পালন করা হয়।
দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ১০টা থেকে ফটো এক্সিবিশনের আয়োজন করা হয়। দুপুর ২টায় ‘এই সংসদ বিশ্বাস করে, গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা কেবল স্মরণে নয়, নীতিনির্ধারণেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত’ শীর্ষক গণবিতর্ক হয়। বিকেল সাড়ে ৩টায় ছাত্র নেতাদের অংশগ্রহণে ‘জুলাই পরবর্তী ছাত্র রাজনীতির প্যাটার্ন: মত ও মতান্তর’ শীর্ষক আলোচনা হয়।
ছাত্র নেতাদের মধ্যে জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ১ নম্বর সহ-সভাপতি আনিসুর রহমান অনিক, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র সহ-সভাপতি খায়রুল আহসান মারজান, ইসলামী ছাত্র শিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি কাজী আশিক, ছাত্র অধিকার পরিষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সাদমান আব্দুল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল কাদের উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় নেতাদের অংশগ্রহণে বাদ আসর ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান: অর্জন-অপূর্ণতা ও রাজনৈতিক বিভাজন’ শীর্ষক আলোচনা হয়।
প্যানেল ডিসকাশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ, লেখক, গবেষক ও রাষ্ট্র চিন্তক শায়খ মুসা আল হাফিজ, অধ্যাপক ড. কামরুল ইসলাম, ফাহিম মাশরুর, শেখ ফজলুল করীম মারুফ ও মাহাদী হাসান অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সাইফ মুহাম্মাদ আলাউদ্দিন।
অনুষ্ঠানে আলোচকরা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে বহুমাত্রিক ও বহুরৈখিক প্রচেষ্টা চালানো উচিৎ। জুলাই কারও একক প্রচেষ্টা না, একক প্ল্যান না। বরং জুলাই বহু চিন্তা ও মতের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও অর্জন। জুলাই সবার জন্যই সুযোগ তৈরি করেছে। তাই সবাই তা বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, জুলাইয়ের প্রধান অর্জন হলো ভয়মুক্ত পরিবেশ অর্জন। আর কষ্টের বিষয় হলো, রেফারেন্ডাম বাস্তবায়িত না হওয়ার একমাত্র দৃষ্টান্ত হতে যাচ্ছে জুলাই রেফারেন্ডাম।
শায়খ মুসা আল হাফিজ তার বক্তব্যে বলেন, জুলাইকে থামতে দেওয়া যাবে না, বরং বহু প্রচেষ্টার মাধ্যমে জুলাইকে নিরন্তর জারি রাখতে হবে।
এমইউ/এমআইএইচএস/







