ভৈরব উপজেলা পরিষদের সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আরমান হোসাইনের বিরুদ্ধে ঘুস গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার দুটি ইউনিয়নের ১১ জন মেম্বার জেলা প্রশাসকের নিকট এ নিয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে বলা হয়, ওই প্রশাসনিক কর্মকর্তা মেম্বারদের মাসিক সম্মানী ভাতা থেকে ৫০০ টাকা করে ঘুস নেন। এ টাকা না দিলে তাদের মেম্বার পদ থাকবে না বলে ভয়ভীতি দেখিয়ে অসৌজ্যমূলক আচরণ করেন। এছাড়াও ভৈরবের বিভিন্ন ইউনিয়নে কর্মরত গ্রামপুলিশের বেতন ভাতা নিতে গেলেও উপর মহলে টাকা দেওয়ার কথা বলে তাদের বেতন থেকে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা নেন অভিযুক্ত কর্মকর্তা। এছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়নের সেবা গ্রহিতা নারী মেম্বাররা তার কাছে গেলে অনৈতিক সম্পর্ক তৈরি করে তাদের ফোন নাম্বার নিয়ে আজেবাজে কথা বলেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে ৮ জুন ৩ নারীসহ ১১ জন মেম্বার জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত অভিযোগ করেন। বুধবার তদন্ত কমিটির সদস্য সহকারী কমিশনার ও ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সোয়েব জানান, তদন্তের বিষয়টি গোপনীয়, তাই আমি রিপোর্টটি জেলা প্রশাসকের নিকট জমা দেব। তবে তিনি ঘটনার সত্যতা মিলেছে বলে স্বীকার করেন। অভিযোগকারী আগানগর ইউনিয়নের মেম্বার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ওই কর্মকর্তা আরমানকে আমাদের মাসিক ভাতা থেকে ৫০০ টাকা করে ঘুস দিতে হয়। শিমুলকান্দি ইউনিয়নের নারী মেম্বার রত্না বেগম বলেন, আরমানের অফিসে কোন নারী সদস্য সেবা নিতে গেলে সে অনৈতিক প্রস্তাব দেয় যার জন্য আমি অভিযোগ করেছি। অভিযুক্ত আরমান হোসাইন বলেন, ঘুসের টাকা দাবি ও নারী মেম্বারদের সঙ্গে অনৈতিক সংলাপ সংক্রান্ত অভিযোগগুলো মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক। আমি এব্যাপারে কিছুই জানি না। ইউএনও কেএম মামুনুর রশীদ বলেন, বুধবার অভিযোগটির তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে।








