২০২৬ বিশ্বকাপে রেফারিং নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা করা খেলোয়াড় ও কোচদের বিরুদ্ধে টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে ফিফা। তবে ফাইনালের আগে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে পুরো প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
দ্য অ্যাথলেটিক-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের মতো এবারও টুর্নামেন্ট চলাকালীন নয়, বরং শেষ হওয়ার পরই বিতর্কিত মন্তব্যগুলো পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সম্ভাব্য শাস্তির বিষয়টি নির্ভর করবে ম্যাচ কর্মকর্তাদের জমা দেওয়া প্রতিবেদনের ওপর। যদিও ফিফা আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি, তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, ১৯ জুলাইয়ের ফাইনালের পরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
সম্ভাব্য শাস্তির মুখে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন মিশরের কোচ হোসাম হাসান এবং ফরোয়ার্ড মোস্তাফা জিকো। আর্জেন্টিনার কাছে হারের পর তারা রেফারিং নিয়ে ‘দুর্নীতির’ অভিযোগ তুলেছিলেন, যা সবচেয়ে বিতর্কিত প্রতিক্রিয়াগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এছাড়া ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুখেল এবং সুইজারল্যান্ডের ডিফেন্ডার ম্যানুয়েল আকাঞ্জিও রেফারিং নিয়ে প্রকাশ্য সমালোচনা করায় ফিফার নজরদারিতে থাকতে পারেন।
রেফারিং নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যে ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়েরলুইজি কলিনা সম্প্রতি বলেন, ‘ফিফা বিশ্বকাপের ম্যাচ কর্মকর্তাদের সততা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারে না। এমন অভিযোগের কারণে অনেক সময় রেফারি ও তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে হুমকি তৈরি হয়, যা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।"
তবে বিশ্বকাপজুড়ে রেফারিং নিয়ে সমালোচনা, রেফারি নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন এবং ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনোকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের কারণে টুর্নামেন্টের অফ-দ্য-ফিল্ড আলোচনাও ছিল বেশ তীব্র। এখন দেখার বিষয়, ফাইনাল শেষে ফিফা আসলেই কতটা কঠোর অবস্থান নেয়।
আরআর/আইএইচএস/







