সিলেটের বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক সংস্কারের পর মাত্র আড়াই বছরেই সরকারের ২৩ কোটি টাকা বালি পাথরের সঙ্গে মিশে গেছে মাটিতে! টেকসই কাজের নামে দীর্ঘ চার বছর জনভোগান্তির মধ্য দিয়ে রাস্তার পুনঃসংস্কার সম্পন্ন করা হয়। কিন্তু কাজ শেষে হস্তান্তরের মাত্র আড়াই বছরের ভেতরে ফের ভেঙে বেহাল দশায় পরিণত হয় রাস্তাটি। এই আড়াই বছরে সড়কে ভাঙন ধরলে ফের গর্ত ভরাটে আরও ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে সংস্কার কাজ করা হয়। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। শুধু সরকারের টাকা ব্যয় দেখিয়ে এই রাস্তাটিকে লুটপাটের মাধ্যমে পরিণত করা হয়েছে। এই ৪০ লাখ টাকার সংস্কারের মাত্র ৫ মাসের ভেতরে সেই গর্তগুলোও অকেজো হয়ে পড়ে। এ নিয়ে ওই সড়কের মাত্র ১৩ কিলোমিটার সংস্কার কাজে দু’দফায় ২৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা জলে ফেলা হয়। সম্প্রতি জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে আবার যানচলাচল প্রায় বন্ধের পথে। জানতে চাইলে বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়নের সাবেক তিনবারের চেয়ারম্যান ছয়ফুল হক বলেন, সরকার সংস্কারের জন্য আন্তরিকভাবে বরাদ্দ দেয়। কিন্তু এই বরাদ্দ সঠিকভাবে কাজে না-লাগানোয় টেকসই হয় না। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যে কাজে লাভবান হবেন সেখানের প্রকল্প তৈরি করে সরকারের কাছে আবেদন করেন। এভাবেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঠিকাদারের সঙ্গে আঁতাত করে লুটপাটে জড়িয়ে পড়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক উপজেলা প্রকৌশলী আবু সাঈদ বলেন, আমি সেখান থেকে সরে আসার পর এ বিষয়ে আমার কিছুই বলার নেই।
এ বিষয়ে জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন খান বলেন, কম সময়ের ভেতরে এই সড়কের অবস্থা বেহাল হওয়ার কথা নয়। তিনি ২/১ দিনের ভেতরে সড়কটি ভিজিট করে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান। আর উপজেলা প্রকৌশলী নিয়োগের বিষয়ে স্থানীয় এমপির সমন্বয়ে তিনি চেষ্টা করছেন।








