মাদারীপুরের শিবচরে সড়ক দুর্ঘটনায় চাচি ও ভাতিজি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার দ্বিতীয়খণ্ড এলাকার মোড়লকান্দি মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এদিকে গাজীপুরের শ্রীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই বন্ধু নিহত হয়েছেন। এছাড়া দুর্ঘটনায় দুই স্থানে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে রংপুরে শিশু এবং পাবনায় স্কুলছাত্র রয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

শিবচর (মাদারীপুর) : নিহতরা হলেন-শিবচর উপজেলার জিনার গেট মাদবরকান্দি এলাকার খায়রুল মাদবরের স্ত্রী রিমি আক্তার ও তার ভাতিজি একই এলাকার হারুন মাদবরের মেয়ে আয়শা। তারা আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। দুপুরে শিবচর থেকে কুতুবপুরগামী ব্যাটারিচালিত ভ্যানের সঙ্গে কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ভ্যানচালক ও যাত্রীসহ ৫ জন গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক শিশু আয়শা এবং রিমি আক্তারকে মৃত ঘোষণা করেন।

গাজীপুর: নিহতরা হলেন-শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বাসিন্দা যুবক সোলেমান সিকদার ও কেরানীগঞ্জের দক্ষিণ মান্দাইল এলাকার যুবক কাওসার হোসেন। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে উপজেলার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জৈনাবাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। কেরানীগঞ্জ থেকে সোলেমান ও কাওসারসহ চার বন্ধু দুটি মোটরসাইকেলে ময়মনসিংহের ত্রিশালের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। রাতে তাদের মোটরসাইকেলটি জৈনাবাজার এলাকা অতিক্রমকালে ট্রাক তাদের ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই সোলেমান ও কাওসারের মৃত্যু হয়।

গঙ্গাচড়া (রংপুর) : সড়ক দুর্ঘটনায় আহত শিশু বন্ধন কুমার সরকার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। বৃহস্পতিবার গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল মন্থনা বাজার এলাকার মমো জুট মিলের সামনে দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনায় ওইদিনই বন্ধনের বাবা প্রশান্ত কুমার সরকার ও ঠাকুরদাদা নির্মল কুমার প্রাণ হারান। তাদের বাড়ি গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নের চেংমারী কুড়িয়ার মোড় এলাকায়। মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে একই পরিবারের তিন সদস্যের এমন আকস্মিক বিদায় ও বংশ প্রদীপ নিভে যাওয়ায় এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্তব্ধ হয়ে গেছে পরিবার, পরিজন ও এলাকাবাসী।

পাবনা : পাবনা শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় বাসের ধাক্কায় স্কুলছাত্র নাঈমের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বাস টার্মিনাল এলাকার চেতনের মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নাঈম পাবনা শহরের মধ্য শালগাড়িয়া এলাকার জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে। সে শহরের আরএম একাডেমির অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।