টেস্টের পর ওয়ানডেতেও বাংলাদেশের ব্যাটাররা ছন্নছাড়া ব্যাটিং করেছেন। ফলে মাত্র ১৪২ রান তাড়া করতে পারেনি টাইগাররা। একমাত্র টেস্ট হারের পর ওয়ানডে সিরিজও শুরু হয়েছে হার দিয়ে।
আগামীকাল হারারে স্পোর্টস ক্লাবে দুপুর দেড়টায় সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে মাঠে গড়াবে। সিরিজে টিকে থাকতে এই ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প নেই বাংলাদেশের সামনে। ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুলের আশা, বাঁচা মরার এই ম্যাচে ব্যাটাররা ছন্দে ফিরবেন।
জিম্বাবুয়ে থেকে পাঠানো ভিডিও বার্তায় দলের বর্তমান অবস্থা নিয়ে কথা বলেন আশরাফুল। তিনি বলেন, ‘আশা করি তারা ভুলগুলো শুধরে নিয়ে পরবর্তী দুই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াবে। আমরা যেমন পারফরম্যান্স করছি, তা আমাদের প্রত্যাশার বাইরে। আমি নিশ্চিত যে পরবর্তী দুই ওয়ানডে এবং তিন টি-টোয়েন্টিতে আমাদের ব্যাটসম্যানরা গত ৬ মাসের মতো ভালো পারফরম্যান্স করবে।’
প্রথম ওয়ানডেতে ব্যাটারদের কিছুটা দুর্ভাগাও বলছেন আশরাফুল, ‘গত ওয়ানডে ম্যাচে যারা দ্রুত আউট হয়েছেন তারা কিছুটা দুর্ভাগা ছিলেন, কারণ তাদের শটগুলো সরাসরি ফিল্ডারের হাতে চলে গিয়েছিল। বাংলাদেশে বাউন্ডারির আকার সাধারণত ৬০-৬৫ মিটার হয়, কিন্তু এখানে বাউন্ডারি প্রায় ৭৫-৭৩ মিটার। এই জায়গাতেই আমাদের মানিয়ে নিতে সমস্যা হয়েছে, আর এখানে বাউন্সও কিছুটা বেশি। গত ৭ মাস বাংলাদেশে ভালো উইকেটে খেলার চেষ্টা করেছি এবং ভালো খেলেছি, কিন্তু এখানকার কন্ডিশনে বাউন্স একটু বেশি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি বলব আমরা কিছুটা দুর্ভাগা ছিলাম। তামিমের শটটি সরাসরি হাতে চলে গিয়েছিল। সৌম্য সরকারের শটটিও সরাসরি ফিল্ডারের হাতে যায়। তামিম বাউন্সের কারণে যেখানে মারতে চেয়েছিলেন, বলটি অন্যদিকে চলে গিয়েছিল। সবাই মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এখানকার কন্ডিশনে ব্যাটিং করা মোটেও সহজ নয়। জিম্বাবুয়ের ফাস্ট বোলাররা বেশ মানসম্মত। চারজন বোলারই সঠিক লাইন-লেংথে বল করছেন এবং উচ্চতার কারণে বাড়তি বাউন্স পাচ্ছেন। আমি বিশ্বাস করি যে আমরা অবশ্যই ঘুরে দাঁড়াব।’
কন্ডিশন কঠিন তবে অনুশীলন ভালো করলেও ম্যাচে সেটা কাজে লাগাতে পারছেন না ব্যাটাররা। আশরাফুল বলেন, ‘এখানকার কন্ডিশন সম্পূর্ণ ভিন্ন। আমাদের দেশে এখন প্রচণ্ড গরম, কিন্তু এখানে বেশ ঠান্ডা। উইকেটে বাড়তি বাউন্স এবং গতি আছে। সবাই মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে এবং অনুশীলনও ভালো হচ্ছে, তবে ম্যাচে সেটির প্রতিফলন ঘটেনি।’
এসকেডি/আইএইচএস/








