রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বাতাসন ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট মো. শফিউল আলমের বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ১২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. আনোয়ারুল ইসলাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে মাদরাসায় চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৩ কিস্তিতে আনোয়ারুল ইসলামের কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা নেন সুপার শফিউল আলম। টাকা নেওয়ার প্রমাণ হিসেবে ১০০ টাকার তিনটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামাও সম্পাদন করা হয়। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও তিনি চাকরি দেননি, আবার টাকা ফেরত চাইলেও নানা টালবাহানা করছেন।আনোয়ারুল ইসলামের স্ত্রী রায়হানা খাতুন ওই মাদরাসার সহকারী মৌলভী হিসেবে কর্মরত। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, টাকা ফেরত চাওয়ায় রায়হানা খাতুনকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন সুপার। এ ছাড়া বিধি অনুযায়ী রায়হানা খাতুনের ১০ম গ্রেড থেকে ৯ম গ্রেডে উন্নীত হওয়ার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র শিক্ষা অধিদপ্তরে না পাঠিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গড়িমসি করছেন তিনি।ভুক্তভোগী আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘টাকা নিয়ে তিনি চাকরি দেননি। এখন টাকা ফেরত চাইলে আমার স্ত্রীকে কর্মক্ষেত্রে হয়রানি ও হুমকির মুখে ফেলছেন। আমি নিরুপায় হয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’এ বিষয়ে জানতে মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’অভিযোগের বিষয়ে মাদরাসা সুপার শফিউল আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।/
রাজনীতি
চাকরির নামে ১২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

শেয়ার করুন






