ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার তানিম রেজা বাপ্পি এবং তার সহযোগী রাকিবুল ইসলাম ভূঁইয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সাত দিনের রিমান্ড শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোমিনুর রহমান দুই আসামিকে ঢাকার আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ আবেদন মঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
জাগো নিউজকে ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রোকুনুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন
চাঁদাবাজি মামলায় বাপ্পি ও সহযোগীর ৭ দিনের রিমান্ড
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৭ জুলাই সকালে মতিঝিলের হোটেল পূর্বাণী-সংলগ্ন এলাকা থেকে তানিম রেজা বাপ্পিকে গ্রেফতার করা হয়। একই দিন দুপুরে কমলাপুর এলাকা থেকে আটক করা হয় তার সহযোগী রাকিবুল ইসলাম ভূঁইয়াকে।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারের পর তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই রাতেই দক্ষিণ কমলাপুরে বাপ্পির ব্যবহৃত একটি অফিসে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে একটি বিদেশি রিভলভার, দুটি বিদেশি পিস্তল, কয়েকটি ম্যাগাজিন, একটি ইলেকট্রিক শক গান, একটি চাইনিজ কুড়াল এবং গুলি উদ্ধার করা হয়। পরদিন আদালত তাদের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মতিঝিলের ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবসংলগ্ন কোরবানির অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারাদার ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেনের কাছে গত ১৫ মে রাতে হোয়াটসঅ্যাপ কলে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বাপ্পি। একই সঙ্গে হাটে তার মনোনীত ব্যক্তিদের রাখার জন্য চাপ দেওয়া হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, দাবি পূরণ না করলে ইসমাইলকে গুলি করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। পরে ১৯ মে ভোরে তার অফিস লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ঘটনাও ঘটে।
এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২০ মে মতিঝিল থানায় তানিম রেজা বাপ্পিসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন।
এমডিএএ/এমআইএইচএস








