সদ্য বিদায়ী ২০২৫–২৬ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার ওঠানো ও নামানোয় ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এই এক অর্থবছরে কনটেইনার পরিবহন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ লাখ ৩১ হাজারে। আজ বুধবার বন্দরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বন্দরের চারটি টার্মিনাল, কমলাপুর কনটেইনার ডিপো ও পানগাঁও নৌ টার্মিনালে কনটেইনার ওঠানো–নামানোর সংখ্যা হিসাব করে এই চিত্র প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে আমদানি–রপ্তানি পণ্যবাহী ও খালি কনটেইনারের হিসাবও রয়েছে।
কনটেইনারে পণ্য পরিবহনের পাশাপাশি বাল্ক, ব্রেক বাল্ক ও ট্যাংকারেও পণ্য আনা–নেওয়া হয়। মোট পণ্য পরিবহনও বাড়ার হিসাব দিয়েছে বন্দর। বন্দরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিদায়ী অর্থবছরে বন্দর দিয়ে ১৩ কোটি ৮০ লাখ টন পণ্য পরিবহন হয়েছে, যা ২০২৪–২৫ অর্থবছরের তুলনায় ৫ দশমিক ৫২ শতাংশ বেশি। একইভাবে বিদায়ী অর্থবছরে ৪ হাজার ৩৩৬টি জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানো–নামানো হয়েছে, যা ২০২৪–২৫ অর্থবছরের তুলনায় ৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ বেশি।
বন্দরে কনটেইনার ও পণ্য পরিবহনের প্রবৃদ্ধি নিয়ে আজ দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দরের নবনির্মিত ওয়ান–স্টপ সার্ভিস ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ‘২০২৫–২৬ অর্থবছরে বন্দরে দক্ষতার প্রতিটি সূচকে অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করতে পেরেছি। এটি যুগান্তকারী অর্জন। সবাই একযোগে কাজ করেছেন বলেই এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।’
কনটেইনার ও পণ্য পরিবহনের পাশাপাশি বন্দরের রাজস্ব আয়ও বেড়েছে। কমেছে রাজস্ব ব্যয়। বন্দরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে ৬ হাজার ৬২৯ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে বন্দর। তার আগের অর্থবছরে যার পরিমাণ ছিল ৫ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা।
সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরের রাজস্ব ব্যয়ও কমেছে। এবার রাজস্ব ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ২৭৩ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরে যার পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা।
সমুদ্রপথে কনটেইনার পরিবহনের ৯৯ শতাংশই চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পরিবহন হয়। বাকি ১ শতাংশ মোংলা বন্দর দিয়ে পরিবহন হয়।








