বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের ই-মেইল ভেরিফিকেশন ফি কমানো হয়েছে। শিক্ষার্থীরা এ ভেরিফিকেশন ফি বাতিলের দাবি তুললেও প্রশাসন সার্বিক দিক বিবেচনা করে ১০ ডলার কমিয়ে ৪০ ডলার নির্ধারণ করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে ই-মেইল ভেরিফিকেশন ফি জনপ্রতি ৫০ ইউএস ডলার ছিল।

জানা গেছে, গত মার্চে ঢাবির পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের স্নাতক শেষ করা শিক্ষার্থী জিনিয়া তাসনিমের অ্যাকাডেমিক কাগজপত্র যাচাইয়ে (ভেরিফিকেশন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সুইডেনের কেন্দ্রীয় ভর্তি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অর্থ দাবি করার অভিযোগ করেন। তাতে তিনি দাবি করা অর্থ সুইডেনের কেন্দ্রীয় ভর্তি কর্তৃপক্ষ দিতে অস্বীকার করেছে বলেও উল্লেখ করেন।

এ কারণে সুইডেনের বিশ্ববিদ্যালয়ে তার আবেদনটি অসম্পূর্ণ থেকে গিয়েছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে সমালোচনার মুখে পড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তখনই শিক্ষার্থীরা ই-মেইল ভেরিফিকেশন ফি সম্পূর্ণ ফ্রি করার দাবি করেছিলেন। তবে সম্পূর্ণ ফ্রি না করে ১০ ডলার কমানোর সিদ্ধান্ত নিলো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

ই-মেইল ভেরিফিকেশনের দায়িত্বে থাকা ঢাবির ডেপুটি রেজিস্ট্রার নাবিলা নূর উস সাবা জানান, যারা বিদেশ থেকে ডিগ্রি ভেরিফিকেশন করে তাদের একটি নির্দিষ্ট ফি দিতে হয়- এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা আয়। এটা সবার জন্য প্রয়োজন।

তিনি বলেন, এটা ৩৫-৪০ বছর আগে থেকে শুরু হয়েছে। ৩৫ বছর আগে ছিল ১০ ডলার, তারপর ৩০ বছর আগে ১৫ ডলার, তারপর ২০ বছর আগে ছিল ৩০ ডলার, ১৭ বছর আগে ৫০ ডলার করা হয়। এখন শিক্ষার্থীদের ই-মেইল ভেরিফিকেশন ফি জনপ্রতি ৫০ ইউএস ডলার করে গুনতে হয়। সেটা কমিয়ে এখন ৪০ ডলার করা হলো।

এএএইচ/এমআইএইচএস