ফরিদপুরের টেপাখোলায় সমাজসেবা অধিদফতর পরিচালিত সরকারি শিশু পরিবারের (বালিকা) ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ভুক্তভোগী ২৭ সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর ঘটনাটি ফাঁস হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্থানীয় দর্জি দোকানের মালিক ওয়াহিদ শেখকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদিকে, সরকারি হোমে আশ্রিত শিশুর সুরক্ষায় চরম অবহেলার অভিযোগে বুধবার সমাজসেবা অধিদফতরের উপসচিব (পরিচালক, প্রশাসন-অর্থ) সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে ফরিদপুর সমাজসেবা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়কসহ (সহকারী পরিচালক) ৬ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- সরকারি শিশু পরিবারের (বালিকা) সহকারী পরিচালক (তত্ত্বাবধায়ক) হাবিবুর রহমান, শামসুন্নাহার আক্তার, তানিয়া তাজরীন, মেট্রন কাম নার্স মনি আক্তার, কম্পিউটার অপারেটর আবীর দাস।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৫ জানুয়ারি ওই এলাকার এক দর্জি দোকানের মালিক ওয়াহিদ শেখ কিশোরীকে চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে। পরে সে শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। ৬ জুলাই মেয়েটির শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে ঘটনাটি জানাজানি হয়। পুলিশ এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফরিদপুর সদর উপজেলার আদমপুর গ্রামের ওয়াহিদ শেখকে গ্রেফতার করে।
এ বিষয়ে জানতে ফরিদপুর সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (তত্ত্বাবধায়ক) আরিফুর রহমানের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (ডিডি) এহিয়া তুজ জামান যুগান্তরকে বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সহকারী পরিচালক আরিফুর রহমানসহ ৬ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বর্তমানে তাহসিনা জামানকে সেফ হোমের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।








