ধোবাউড়ায় উপজেলায় বিদ্যুতের অব্যবস্থাপনায় একের পর এক ঘটছে বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণহানিও হচ্ছে নিয়মিত। তবুও টনক নড়ছে না কর্তৃপক্ষের। এতে জনমনে বাড়ছে উদ্বেগ উদকণ্ঠা। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে উপজেলার সাধারণ মানুষ। বিদ্যুতের অব্যবস্থাপনা, ঝুঁকিপূর্ণ লাইন ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এসব ঘটনা ঘটছে। ১৮ জুন উপজেলার গোয়াতলা ইউনিয়নের মাটিখলা গ্রামে রাস্তার ওপর পড়ে থাকা বিদ্যুতের তারে দুই পথচারী গুরুতর আহত হয়। এ সময় স্থানীয়রা উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। আহত দুজনের মধ্যে একজনের পা বিছিন্ন হয়ে যায়। এ ঘটনার ১৫ দিনের ব্যবধানে উপজেলার কামালপুর এলাকায় পুকুরে ওপর পড়ে বৈদ্যুতিক তারে এক যুবকের মৃত্যু হয়। দর্শা হরচন্দ্রপুর এলাকায় খুঁটির সঙ্গে টানা তারে বিদ্যুতায়িত হয়ে একটি গরু মারা যায় এবং মালিক আহত হয়। এক মাসের ব্যবধানে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটলেও টনক নড়ছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। বিদ্যুতের লাইনের এমন অব্যবস্থাপনায় উপজেলাজুড়ে মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। শাকিল মিয়া বলেন বিদ্যুৎ অফিসের গাফিলতির কারণে ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি গরু মারা যায়। কামালপুর গ্রামের রইস মিয়া বলেন, পুকুরের পানিতে বিদ্যুতের তার পড়ে থাকায় একজন লোকের মৃত্যু হওয়ার পরও বিদ্যুৎ অফিসের লোকজনের টনক নড়ছে না। এছাড়াও বৈদ্যুতিক লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ গ্রাহকরা। দিনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অন্তত ১৫ ঘণ্টা লোডশেডিং থাকে। আবার কখনো কখনো বৈরি আবহাওয়া থাকলে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অন্ধকারে থাকতে হয় প্রান্তিক এই জনপদের মানুষজনের। এব্যাপারে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির -৩ এর ধোবাউড়া সাব জোনাল অফিসের ডিজিএম মিজানুর রহমান বলেন, লাইনের কোথাও কোনো সমস্যা হলে আমরা লাইন মেরামত করে দেই।








