দোয়ারাবাজারে বগুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, জালিয়াতিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে ৯ জুলাই সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অভিভাবক সুরজাহান আক্তার। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফের অসুস্থতাজনিত কারণে সহকারী শিক্ষক জসিম উদ্দিন বিদ্যালয়ের যাবতীয় আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম একাই নিয়ন্ত্রণ করছেন দীর্ঘদিন। সেই সুবাদে যাবতীয় সরকারি বিল নিজের ব্যক্তিগত ০২০০০০৮২৮৯৪২৪ নম্বর ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করে একাই ভোগ করছেন তিনি। এছাড়া সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে বিদ্যালয়ের যৌথ ব্যাংক হিসাবেও তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিদ্যালয় চলাকালীন বাধ্যতামূলক কোচিং করানোর অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি ট্রেনিং ও প্রোগ্রামে কখনো সহকারী শিক্ষক, কখনো ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পরিচয়ে নিয়মিত অংশ নিচ্ছেন তিনি। কোচিংয়ের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও ফলাফলের ক্ষেত্রেও তিনি পক্ষপাতিত্বের আশ্রয় নেন।
জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক জসিম উদ্দিন বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও আর্থিক কর্মকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন। অতিরিক্ত ক্লাসের নামে কোচিংয়ের কথ স্বীকার করলেও বিনিময়ে কোনো টাকা-পয়সা নেননি বলে জানান। প্রশ্নপত্র সংক্রান্ত অভিযোগটি অস্বীকার করেন।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহন লাল দাস বলেন, পুরো বিষয়টি তদন্ত করে বিধিমোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।








